বুকুন আরও লেখেন, “অনেকেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন, আর এই উদ্বেগ-অনুভূতির জন্য আমরা আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞ। তবে মানসিক ও আবেগগত চাপে আমরা কারও ফোন ধরতে পারিনি। এই কঠিন সময়ে কয়েকজন ঘনিষ্ঠ পরিবারবন্ধু ছাড়া কাউকে কিছু না জানানোর সিদ্ধান্তটা ছিল একান্তই আমার।”
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী, জয় গোস্বামীর এখন সম্পূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন এবং আগামী এক মাস ফোনে কথা বলা বা বাইরে বেরোনো—কোনওটাই তাঁর জন্য উপযুক্ত নয় বলে জানান বুকুন।
advertisement
বুকুন লেখেন, “আমি গভীর ভাবে কৃতজ্ঞ সেই ডাক্তারদের প্রতি এবং সেই শক্তিশালী, দুর্দান্ত সব মহিলাদের প্রতি, যারা প্রতিটি মুহূর্তে জয়ের পাশে থেকে তাঁর যত্ন নিয়েছেন।”
টাকা বাড়বে! Gen z-রা অভ্যাস গড়ে তুলুন শুরু থেকেই, ৮টি জরুরি আর্থিক পরামর্শ মেনে চললেই ধনী হবেন
এর আগে ২০২১ সালে কবির অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন জয়। বমি, পেটের সমস্যায় জর্জরিত ছিলেন। অক্সিজেন দিতে হচ্ছিল তাঁকে। অনুরাগীদের প্রার্থনায় তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।
সম্প্রতি ৭১ বছরে পা রেখেছেন জয়। তাঁর ধারণায় কিছু ‘মুদ্রণউপযোগী’ পঙ্ক্তি কবিতার নামে তিনি ছাপিয়েছেন, বহু সন্ধানের পরেও নিজস্ব কাব্যভাষা তিনি পাননি। তাই নিজেকে খোঁজার, নিজস্ব নিভৃতিতে বসে কাব্যরচনার প্রয়াস নেওয়ার সময় এখন। লেখা প্রকাশের বাসনা থেকে নিবৃত্তি নিয়ে শুধু লেখার উত্তেজনাকে জাগিয়ে রাখা সম্ভব কি না, সেই নিরীক্ষায় তিনি প্রবেশ করতে চান।
এর বাইরে, আরও একটি বিষয়ের কথা লিখেছেন জয়। রাজ্য সরকার তাঁকে বঙ্গভূষণ ও বঙ্গবিভূষণ সম্মান প্রদান করেছে। পেয়েছেন বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্মানিক ডি লিট। এর পর থেকে যাবতীয় প্রতিষ্ঠানের কাছে তাঁর অনুরোধ, তাঁরা যেন আর কোনও পুরস্কারের জন্য তাঁর নাম বিবেচনা না করেন।
