বিধানসভা নির্বাচনের আগে যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার৷ এই প্রকল্পকে ভোটের আগে শাসক দলের অন্যতম মাস্টারস্ট্রোক বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা৷ যুবসাথী প্রকল্পকে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরাও৷ এবার সেই যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷
যুবসাথী নিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘ভাতা তো প্রথম দেওয়া হচ্ছে না৷ বামেরাও ভাতা দিয়েছে, বিভিন্ন ভাবে ভাতা দিয়েছে৷ বিজেপি-র নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার, বিজেপি শাসিত রাজ্যেও ভাতা রয়েছে৷ আমাদের নির্বাচনী ইস্তেহারেও ভাতার কথা বলা ছিল৷ ভাতা একটা অন্য মাত্রার৷ কিন্তু কর্মসংস্থান সবার আগে৷ দু কোটি লোকের চাকরি দেব বলে দুটোও দিতে পারলাম না৷ সেটা না করে কাজ সৃষ্টি করা এবং কর্মসংস্থান সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা করা উচিত৷ আমি কর্পোরেট জীবনেও সেটা করেছি৷’
advertisement
কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে এর পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আমাকে যাঁরা ঢিল মারছে, কাদা মারছে, তারা ভেবে দেখুক সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বে কত মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে৷ কর্মসংস্থান আমাদের প্রধান ইস্যু হওয়া উচিত৷ বামপন্থীরা বলেছিল কৃষি আমাদের ভিত্তি শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ৷ কিন্তু ওরা ভবিষ্যৎ তৈরি করতে পারেনি৷ আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগ্রামী ইতিহাসকে মানুষের সামনে রেখে জিতেছিলাম৷ কর্মসংস্থান নানা ভাবে হয়৷ হাতে কাজ, পেটে ভাত, মাথার উপরে ছাদ৷ আমি এখনও এটাতেই বিশ্বাস করি৷’
যদিও পার্থ চট্টোপাধ্যায় ভাতার আগে কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা৷ কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, ‘চোরের মুখে দিদির নাম শুনতেন, এখন রামের নাম শুনবেন, হয়তো টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা কমে গিয়েছে৷’ বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘যাঁরা ২৬ হাজার চাকরি বিক্রি করে কর্মসসংস্থানের কথা বলেন তাঁদের ফাঁসি হওয়া উচিত৷’
