এই বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসে সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, “ইলেকশন কমিশনকে নিরপেক্ষ হতে হবে। ৬০ লক্ষ মানুষের নাম ফিরিয়ে এনে তারপরে ভোট করতে হবে। যাদের নাম ডিলিট হয়েছে তাদের নামও ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করলে হবে না।”
advertisement
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহাম্মদ সেলিম জানান, প্রশাসনিক আধিকারিকদের গাফিলতিতে সমস্যা হয়েছে এটা স্বীকার করেছে ফুল বেঞ্চ। তিনি বলেন, দলের তরফে সিপিএমএম দাবি রেখেছে, “নির্বাচন কমিশনকে তার সম্মান বজায় রাখতে হবে। আমরা বলে দিয়েছি এই ৬০ লক্ষ ভোটারকে বাদ দিয়ে ভোট করা যায় না। ওরা বলছে বিএলও, ইআরও-দের ভুল ছিল।” একইসঙ্গে সাত আট দফায় ভোট হওয়া নিয়েও দাবি রেখেছে সিপিআইএম। সেলিমের কথায়, “১ দফায় ভোট হওয়া উঁচিত, বেশি হলে ২ দফায়।
আরও পড়ুন: ভারতীয়দের তুলনায় ইজরায়েলিরা কত ‘ধনী’ বলুন তো…? চমকে দেবে ডেইলি ‘ইনকাম’, শিওর!
অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে, একুশের সেই দাবি থেকে ছাব্বিশে একেবারে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেল বিজেপি৷ এবার তারা নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের কাছে দাবি জানাল, ৭-৮ দফায় নয়, রাজ্যে এবারে এক দু’দফায় ভোট করাতে চায় তারা৷ সোমবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে ১৬ দফা দাবি জানিয়ে এল বিজেপির প্রতিনিধি দল৷
এদিন বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়৷ কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে নিজেদের ১৬ দফা দাবি পেশ করে বিজেপির তরফ থেকে কমিশনকে জানানো হয়, ৭-৮ দফায় নির্বাচন করা দরকার নেই। তবে সেনসিনিটিভ বুথ চিহ্নিত করা প্রয়োজন৷ এছাড়া, রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তা নিয়েও কমিশনের কাছে অসন্তোষ প্রকাশ করে রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধি দল৷
