মাটির উপর ২১টি পিলারের উপর নির্মিত এই স্টেশনটিতে গত জুলাই মাসে চারটি পিলারে ফাটল ধরা পড়ে। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই দ্রুত স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং পুনর্নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন পরিকাঠামো তৈরিতে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টাকা খরচ ধার্য করা হয়েছে।
তেলে ভরপুর ভেনেজুয়েলা, তবু মুদ্রা এত দুর্বল কেন? জেনে নিন, সেখানে ১০ হাজার ভারতীয় টাকার মূল্য কত?
advertisement
কাঁটা বেছে মাছ খেতে সমস্যা? চিনের বিজ্ঞানীরা বানালেন ‘ঝংকে নং ৬’ মাছ! পুষ্টিতে ভরপুর কাঁটাও নেই!
এদিকে, কবি সুভাষ স্টেশন বন্ধ থাকায় ব্লু লাইনে নিত্যদিন একের পর এক সমস্যা সামনে আসছে। রেক ঘোরানোর জন্য টালিগঞ্জ থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত অংশে ট্রেন চালাতে অতিরিক্ত সময় লাগছে, যার প্রভাব পড়ছে যাত্রী পরিষেবায়। ফলে অফিস টাইমে ভোগান্তি বাড়ছে যাত্রীদের।
এই পরিস্থিতিতে মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যা বাস্তব ও জটিল হলেও তা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, প্ল্যাটফর্ম স্ট্রাকচারের পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত নকশা ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে কবি সুভাষ স্টেশনের পরবর্তী অংশে একটি মেইনটেন্যান্স শেড রয়েছে, যেখানে রাতের সময় রেকের কাজ হয়। সেই কারণে ট্রেনগুলিকে স্টেশনের পরের অংশে নিয়ে যেতে হয়।
মেট্রো কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, মেইনটেন্যান্সের জন্য বিকল্প কোনও কার্যকর শেড খুঁজে পাওয়াই এখন সবচেয়ে বড় ও জটিল চ্যালেঞ্জ। এই অবস্থায় টালিগঞ্জের পুরনো শেডটি পুনরুজ্জীবিত করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে দুর্গাপূজার সময় টানা পরিষেবা চালু রাখা এবং তার পরেও প্রতিদিনের যাত্রী পরিষেবার চাহিদা বজায় রাখার বাধ্যবাধকতার কারণে, নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবায় প্রভাব না ফেলে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা সহজ নয় বলেই জানিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। ফলে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন কবে ফের চালু হবে, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও অধরাই থেকে যাচ্ছে।
