শুধু তাই নয়, মহম্মদ সেলিম বলেন, কাউকে ছাড়া হবে না। সব মনে রাখা হবে। এখানে পুলিশ যে ভাবে আমাদের আটকে দিয়েছে, ঠিক এরাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় গিয়ে দড়ি দিয়ে মঞ্চ করবেন।
এদিকে, বিমান বসুর কথায়, ”আমরা চেয়েছিলাম সিইও-কে ডেপুটেশন দিতে। এটা তো গণতান্ত্রিক দেশের প্রতিবাদ করার নিয়ম। আমরা ডেপুটেশন দেওয়ার মধ্যে দিয়ে আমাদের বিরোধিতা, আমাদের প্রতিবাদ করব। আমরা দাগি আসামি না। আমরা গণতান্ত্রিক নিয়ম মেনে কাজ করি। যে রাজনীতি দিল্লিতে চলছে ধর্মের ভিত্তিতে, এমনকি ভাষার ভিত্তিতে বিভাজন করার। এখানে যারা সামিল হয়েছেন, এখান থেকে তারা চলে যাওয়ার জন্য আসেননি। এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। ৬ তারিখে মেট্রো চ্যানেলের সামনে তৃণমূলের অবস্থান আছে। কারণ এখন বিভাজনটা দেখাতেই হবে ওদের।”
advertisement
বিমান বসুর সংযোজন, ”এখানে কর্মসংস্থানের বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই। কর্মসংস্থান না হওয়ার জন্য একের পর এক স্কুল উঠে যাচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষার ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। সাময়িকভাবে এই কর্মসূচি চলবে।
