মুখ্যমন্ত্রীর এই অনড় মনোভাব বুঝতে পেরেই ঘণ্টা দু'য়েকের মধ্যে দ্বিতীয় হুগলি সেতু থেকে সরতে থাকে সেনা।
তবে সেনা যে পিছু হঠছে না তার প্রমাণ মিলেছে পালসিটে। এখানে রাতভর তল্লাশি জারি রাখে সেনা বাহিনী। এর মাঝেই বারবার বয়ান বদল করেছে সেনা। গভীর রাতে ইস্টার্ন কমান্ডের তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়,
- কোনও টোল প্লাজার দখল নেওয়া হয়নি
advertisement
- রুটিন তল্লাশি ও নজরদারির তথ্য রাজ্য পুলিশকে জানানো হয়েছে
পালটা টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রীও। মানুষকে বিভ্রান্ত করছে ইস্টার্ন কমান্ড। ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।
টুইট করে রাজ্য পুলিশও ৷ সেনা তল্লাশি নিয়ে রাজ্য পুলিশকে কিছুই জানান হয়নি বলে জানায় তারা ৷ দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে তল্লাশি লিখিত প্রতিবাদ জানায় কলকাতা পুলিশ। - সেনা তল্লাশির কোনও খবর দেওয়া হয়নি - তল্লাশির জেরে নিরাপত্তা ও যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে - দ্রুত সেনা সরানোর দাবি করে কলকাতা পুলিশ
এর মাঝেই রাজ্য পুলিশ জানায়, শুধু দ্বিতীয় হুগলি সেতু বা পালসিট নয়।
রাজ্য পুলিশের টুইট...
- হুগলি, বারাকপুর, বর্ধমান, জামবনি, খড়গপুর, মুর্শিদাবাদ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সেনা নজরদারি চলছে।
ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী একে সেনা অভ্যুত্থানের সঙ্গে তুলা করে রাতে নবান্নেই থেকে যান। যদিও তার পরেও পিছু হটেনি সেনা। শুক্রবার ফের বিভিন্ন জায়গায় নজরদারি চলবে সেনা সূত্রের খবর।
