প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিতে এভাবেই নিজের বক্তব্য জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের টাকা অবিলম্বে ছাড়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী চিঠি দিলেন প্রধানমন্ত্রীকে।
প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, “জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে রাজ্য সরকার একাধিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তুলেছে। এখনও পর্যন্ত ১১ হাজার স্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে উঠেছে এই প্রকল্পের অধীনে। ২০১১ সালের পর থেকে রাজ্য সরকারের যে রঙই ব্রান্ডিং করে রেখেছে, সেই রঙই দেওয়া হয়েছে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে।”
advertisement
আরও পড়ুন: কে ঢুকছে, কে বেরচ্ছে? সব জানতে চায় ইডি, জ্যোতিপ্রিয় কেবিনে ক্যামেরা বসানোর দাবি
জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনে রাজ্যের জন্য মোট বরাদ্দ থাকে প্রায় ২৩০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। এর মধ্যে কেন্দ্র দেয় ৬০ শতাংশ টাকা ও রাজ্য দেয় ৪০ শতাংশ টাকা। অর্থাৎ জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনে কেন্দ্র রাজ্যকে দেবে ১৪০০ কোটি টাকা। কেন্দ্রের দেওয়া ১৪০০ কোটির মধ্যে চলতি আর্থিক বছরে এপ্রিল মাসে কেন্দ্রীয় সরকার দিয়েছে ২৮০ কোটি টাকা। রাজ্যের তরফে ইতিমধ্যেই আরও ৩০০ কোটি টাকা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ছয় মাস আগে সেই টাকা ছাড়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। কিন্তু তারপর থেকেই সেই টাকা বন্ধ করে রেখেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।
আরও পড়ুন: ‘জ্যোতিপ্রিয় জেলে, কেন মন্ত্রী বলব?’ প্রশ্ন তুলে তুমুল হট্টগোল! বেরিয়ে গেল বিজেপি
প্রসঙ্গত, বুধবার ধর্মতলায় এসে সভা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এখানে এসে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে উৎখাত করার ডাক দেওয়া থেকে শুরু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময় শেষ হয়ে এসেছে বলে সুর চরমে তোলেন শাহ। আর বুধবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিয়েছেন বাংলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর কিছুদিন পরই শুরু হবে সংসদে শীতকালীন অধিবেশন। সেখানে প্রস্তাবিত ফৌজদারি এবং দেওয়ানি বিলগুলির সংশোধনী আনার কথা। তবে এই বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
