এ দিন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চক্রান্ত৷ সুপার তুঘলকি রাজ চলছে৷ কোনও নাম যুক্ত হচ্ছে না, শুধু বাদ দেওয়া হচ্ছে৷ ওদের কীভাবে বাদ দিতে হয় জনগণ জানে৷ আপনাদের ইতিহাস, ভূগোল, সব রেকর্ড কিন্তু আমাদের কাছে আছে৷ জোর করে জমি অধিগ্রহণ সিঙ্গুরের কৃষকরা আজও ভোলেনি৷ অনেক কীর্তি, কেলেঙ্কারির নায়ক নায়িকারা মনে রাখবেন, প্রতিশোধ জনগণের উপরে নেবেন না, আমার উপরে নিন৷ মনে রাখবেন, আপনারা ফোর টুয়েন্টি হলে আমি ফোর ফর্টি ভোল্ট৷’
advertisement
এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে এ দিন ফের কমিশন এবং বিজেপি-র বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তাঁর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকলেও ১৪ ফেব্রুয়ারি বেলা তিনটে থেকেই কমিশনের পোর্টালে ভোটারদের নথি আপলোডের প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ ফলে শুনানিতে ডাক পাওয়া কয়েক লক্ষ ভোটারের নথি আপলোড করা যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷
একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বিহারে জন্ম রেজিস্ট্রার, আবাস প্রকল্পে সরকারি সার্টিফিকেট নথি হিসেব গৃহীত হলেও বাংলায় এসআইআর-এ সেই নথিগুলিই খারিজ করছে কমিশন৷ এমন কি, ১৪ তারিখ নথি জমা দেওয়ার শেষ দিন হলেও আবাস সার্টিফিকেটের মতো নথি গৃহীত না হওয়ার কথা কমিশন ১৬ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী৷
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ইআরও-রা একটা নাম তুললেই দেখাচ্ছে এরর৷ অর্থাৎ নামটা উঠল না৷ এখন তফশিলি, সংখ্যালঘু, আদিবাসী খুঁজে বেড়াচ্ছে৷ মহিলাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে৷ নতুন ভোটারদের সুযোগই দিচ্ছে না৷ চব্বিশ বছর ধরে সময় পেলেন না৷ আজ তিন চার মাস ধরে রাজ্য সরকারের সমস্ত ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে তুঘলকি কমিশন তুঘলকি কায়দায় ডোন্ট কেয়ার মনোভাব নিয়ে যে অত্যাচার চালাচ্ছে৷’
