প্রসঙ্গত, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে ৬০ লক্ষ নাম বাদ যাওয়া এবং প্রায় ৬০ লক্ষের নাম ‘বিচারাধীন’ থাকা নিয়ে শুরু থেকেই সুর চড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ এবার এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ফের মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ উস্কে দিলেন ২০০৬ সালের স্মৃতি৷
শুক্রবার দুপুর ২টো নাগাদ মেট্রো চ্যানেলের মঞ্চে উপস্থিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বলেন, ‘‘অনেক বিশিষ্ট মানুষ আসবেন। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবেন যে ২২ জনকে মৃত ঘোষণা করছে কিন্তু তাঁরা জীবিত আছেন৷ তাঁদের আমি মঞ্চে হাজির করব৷’’
advertisement
মমতা জানান, ‘‘sir এ যারা মারা গেছেন তাদের পরিবারও আসবে৷ মনে রাখবেন ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে আমরা কাজ করি। আমরা জানি কোথায় কী হয়।’’
২০০৬ সালের পর ২০২৬। কুড়ি বছর পরে আবার সেই মেট্রো চ্যানেল। সেবার ছিলেন বিরোধী দলনেত্রী৷ এবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েও প্রতিবাদী ধরনা মঞ্চে মমতা। এসআইআরের নামে হয়রানির অভিযোগে শুক্রবার ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ দুপুর ২ টো থেকেই শুরু হয় ধরনা৷
ভোটার লিস্ট থেকে নাম কাটা৷ এসআইআর-এর নামে হয়রানি। শুনানি থেকে অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় থাকা নাম। নির্বাচনের কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে বারবার তোপ দেগেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার প্রতিবাদেই শুক্রবার মেট্রো চ্যানেলে শুরু হল ধরনা৷
এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে যেন ফের বিরোধী নেত্রীর মেজাজে ফিরে গিয়েছেন মমতা, মেট্রো চ্যানেলকে ধর্না মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়ে ফের ২০০৬-এর স্মৃতি উসকে দিলেন তিনি৷ বঙ্গে তখন সিপিআইএম জমানা, মমতা বিরোধী নেত্রী৷ আন্দোলনের জন্য বেশিরভাগ সময় মাঠ-ময়দানকেই বেছে নিয়েছেন মমতা৷ সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় ২০০৬ সালে এই মেট্রো চ্যানেলেই টানা ২৬ দিনের অনশন করেছিলেন তিনি৷
