বাংলায় এসআইআর নিয়েও এদিন তোপ দাগেন মমতা। জোর করে এসআইআরের মাধ্যমে মহিলা ভোটারদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে বড় অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি বলেন, ‘আপনারা শুনলে অবাক হবেন, এসআইআরে মহিলাদের নাম ইচ্ছে করে বাদ দেওয়া হয়েছে। ৯০ বছরের শতায়ুকে নোটিস, অন্তঃসত্ত্বাকে নোটিস, সম্মানীয় ব্যক্তিদের নোটিস পাঠানো হয়েছে। বেশিরভাগ ইয়ং জেনারেশন নাম এনলিস্ট হয়নি। লজিস্টিকাল ডিসেনসারির নামে ৫৪ লাখের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।’
advertisement
মুখ্যমন্ত্রীর মতে, ইডির এই হানা ‘অপরাধ’। রাজ্যে এখন এসআইআরের কাজ চলছে। সেই সংক্রান্ত তথ্যও ‘ট্রান্সফার’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। এর পরে তিনি প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দিকেও আঙুল তুলেছেন। এসআইআরের শুনানিতে সাধারণ মানুষ হেনস্থার শিকার হচ্ছেন বলে আবার অভিযোগ তুলেছেন।
সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতর যে ভবনে রয়েছে, তার বেসমেন্টে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা। কথা বলে আবার ঢুকে পড়েন দফতরে। তার আগে বলেন, ”যত ক্ষণ প্রতীক না আসছেন, যত ক্ষণ প্রতীক এসে অফিসে সেটল না-করছেন, তত ক্ষণ আমি এখানে অপেক্ষা করব।”
