এদিন কৃষ্ণা রায়ের মৃত্যুর খবর আসার পরেও মুকুল রায়ের বাড়িতে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ মুকুলের সল্টলেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা। শোকের এই মুহূর্তে পুরোনো সতীর্থের পাশে গিয়ে দাঁড়ান তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানে প্রায় আধ ঘণ্টা ছিলেন তিনি। মুকুলের সঙ্গে অনেক ক্ষণ কথাও বলেন। সেখান থেকে বেরোনোর সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি।
advertisement
মমতা বলেন, "মুকুল আমার দীর্ঘদিনের সহকর্মী। ওঁর পরিবারকে ব্যক্তিগতভাবে চিনতাম। ওঁর স্ত্রীকে চিনতাম ওঁদের পরিবারে অনেকবার গিয়েছি যখন ওঁর মা বেঁচে ছিলেন, দেখা করেছি ওর মা-র সঙ্গেও। সবাই ভেবেছিলাম ওঁর স্ত্রী কৃষ্ণা সুস্থ হয়ে যাবে। কিন্তু সবরকম চেষ্টা করার পরও কিছু করা গেল না।" এরপরে মমতা বলেন, "শুভ্রাংশু চেন্নাই আছে, কাল সকাল সাতটায় চেন্নাই থেকে ফিরবে, ওখান থেকে কাঁচরাপাড়ার বাড়ি যাবে, তারপর ওঁরা ঠিক করবে কোথায় শেষকৃত্যে হবে।"
পরিবার সূত্রে খবর, আজ ভোর পৌনে ৫টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চেন্নাইয়ের (Chennai) হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। আগামীকাল দেহ নিয়ে আসা হবে কলকাতায়। করোনা আক্রান্ত হওয়ায় মুকুল রায়ের স্ত্রীকে ১১ মে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভেন্টিলেশনে থাকার পর ২ সপ্তাহ ছিলেন একমো সাপোর্টে। এরপর ফুসফুস প্রতিস্থাপনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় চেন্নাই। কিন্তু জটিলতা ক্রমশ বাড়তে থাকে। আজ ভোরে প্রয়াত হন মুকুল জায়া কৃষ্ণা রায়।
