মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের ক্ষত এখনও সারেনি। চলাফেরাও তাই হুইল চেয়ারেই। কমিশনের তরফেও বিশেষ র্যাম্পের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল নিয়ম মেনেই। এই র্যাম্প প্রতিটি কেন্দ্রেই থাকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের যাতে কোনও সমস্যা না হয় তা সুনিশ্চিত করার জন্য। দেহরক্ষীর সহোযগিতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই র্যাম্পে উঠেই ইভিএম-এর বোতাম টেপেন।
প্রসঙ্গত এই একই কেন্দ্রে সকাল আটটায় ভোট দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এদিনও তাঁকে দুই তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসার কথা বলতে শোনা যায়। মমতা অবশ্য ভোটকেন্দ্র থেকে কোনও কথা বলেননি, কেবল জয়ের সাংকেতিক চিহ্নটি দেখিয়েই বেরিয়ে যান।
এই কেন্দ্রে আসার আগে মমতা এদিন ঝড় তোলেন উত্তর কলকাতার প্রচারে। মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়কে সামনে রেখে করোনা পরিস্থিতির জন্য কমিশনকে কাঠগড়ায় তুলতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সামগ্রিক নৈরাজ্যের জন্য তিনি এক হাত নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। সভা সেরে তিনি সোজা বৈঠক সারতে চলে যান নবান্নে। সেখান থেকেই সোজা ভোটকেন্দ্রে।
উল্লেখ্য মমতা এবার স্রেফ এই কেন্দ্রের ভোটার। তিনি নিজের নিয়ম ভেঙেই এবার প্রার্থী হয়েছেন নন্দীগ্রাম থেকে। আর এই ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন তাঁর একান্ত অনুগত রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ভবানীপুরে বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ, যিনি ভোটের মুখে তৃণমূল সঙ্গ ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন।
