মুখ্য়মন্ত্রীর কথায়, ''আজ এক বছর বাদে গর্বের সঙ্গে আমরা বলতে পারি, প্রতিশ্রুতি দেওয়া প্রতিটা প্রকল্প কার্যকর করেছি। অন্যরা যারা বলে তারা করে না। শুধু কুৎসা করে। গতমাসেই বিশ্ব বাংলা শিল্প সম্মেলন থেকে ৫ লক্ষ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়েছি। আজ আমি আরও ২০ লক্ষ মা-বোনেদের সেই টাকা দিলাম।'' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও সংযোজন, ''লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মা বোনদের অধিকার। আজ যারা সরকারের সমালোচনা শুরু করেন, শুধু মেয়েদের অপমান করেন। অশালীন কথা বলেন। ঘটনা ঘটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যাবস্থা নেওয়ার কথা বলেছি আমি। পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া আছে। এটা মধ্যপ্রদেশ, ইউপি নয়, এটা বাংলা। অন্যায় করলে এখানে শাস্তি হয়।''
advertisement
সাম্প্রতিক কালে রাজ্যে নারী নির্যাতন নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। সেই প্রসঙ্গেও আজ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ''এখানে মা বোনদের আগলে রাখা হয়। আগে হচ্ছে মানুষ, মানবিকতা। ৩৪ বছর তো বামফ্রন্ট ছিল। দেখাও তো। নর কঙ্কালের মালা পরিয়েছ। থানায় ডাইরি করতে যেতেই পারতো না। এখন কিছু কিছু বাম বিজেপি হয়ে গেছে।''
আরও পড়ুন: দুই নাবালিকাকে ফুঁসলিয়ে দিঘায় দুই যুবক, তারপরই মারাত্মক ঘটনা! চাউমিনে রহস্য?
এরপরই তিনি বলেন, কেউ যদি ফেক ভিডিও দেয়, তারও শাস্তি হতে পারে। এটাও আইনে আছে। মাধ্যমিক ১২ লক্ষ, উচ্চ মাধ্যমিক ১০ লক্ষের কাছাকছি পরীক্ষার্থী দিয়েছে। একটাও অনভিপ্রেত ঘটনা দেখাতে পারবে? জগৎটা খারাপ, সবার গায়ে কালী লাগিয়ে দিলাম, এটা ঠিক নয়। একটা ঘটনার জন্য ৫ -৬ জন দোষী হলে সবাইকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো ঠিক নয়। অন্য যে কোনও রাজ্যের তুলনায় বাংলা নিরাপদ।''
আরও পড়ুন: সরকারের বর্ষপূর্তিতে বিরাট ঘোষণা SSC-র, সাত বছর বাদে রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ!
মমতার কটাক্ষ, ''আমরা করেছি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, ওরা করেছে কুৎসার ভাণ্ডার। যদি কেউ অন্যায় করে আমাদের ছেলে মেয়েদের ছাড়ি না। পাপ করলে একদিন না একদিন বিচার হবেই। বাংলাকে দুর্বল ভাবার কারণ নেই। বাংলা সবাইকে নিয়ে চলতে জানে। আমাদের নতুন করে শিক্ষা দেওয়ার দরকার নেই। ১১ বছরের সরকার। এই ১১ বছরে আমি যা করে দিয়েছি, চ্যালেঞ্জ করছি আমাকে ফেস করুন। আমি ফেস করতে প্রস্তুত। আমাকে চমকে লাভ নেই। ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।''
