জানা গিয়েছে, মৃত ওই মহিলার নাম রূপবানী দাস (৫০)৷ গড়িয়ার তেঁতুলতলা এলাকায় রূপবানীদেবী একটি পার্লার চালাতেন বলে জানা গিয়েছে৷ প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই পার্লারটি চালাতেন রূপবানী দেবী৷
প্রতিদিনের মতো এ দিন বেলা ১২টা নাগাদ রূপবানী দাসের স্বামী অনুপ দাস মোটরসাইকেলে করে তাঁকে ওই পার্লারে নামিয়ে দিয়ে যান৷ বেলা ১২.৪৫ নাগাদ অনুপবাবুকে ফোনে জানানো হয়, পার্লারের ভিতরে মারামারি শুরু হয়েছে৷ এই খবর পেয়েই ছেলে এবং জামাইবাবুকে নিয়ে দ্রুত ওই পার্লারে পৌঁছন অনুপবাবু৷ সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী৷ রক্তে ভেসে যাচ্ছে চারপাশ৷ পার্লারের মধ্যেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন এক যুবকও৷
advertisement
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এক কাশ্মীরি যুবকের সঙ্গে রূপবানী দাসের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের টানাপোড়েন জেরেই এ দিন পার্লারে ঢুকে ওই যুবক রূপবানী দেবীর উপরে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি,মহিলাকে খুন করার পর অভিযুক্ত যুবক নিজেই নিজের গলায় ধারালো অস্ত্র চালায়। ঘটনাস্থলেই তাঁরও মৃত্যু হয়৷
