খিদিরপুর থেকে গত সপ্তাহেই শুরু হয়েছে মেট্রোর খনন কাজ। আগামী বছরের মধ্যেই তা শেষ হবে পার্ক স্ট্রিট এলাকায় এসে। এর আগে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর টানেল তৈরির সময়ে হওয়া ধারাবাহিক বিপর্যয় সেই প্রজেক্টকে অনেকটাই দেরি করিয়েছে। খরচ বেড়েছে প্রচুর। সর্বোপরি, মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। যা পিছু ছাড়ছে না সদ্য শুরু হওয়া এই কাজের। ফলে প্রথম থেকেই একাধিক সতর্কতা মেনে শুরু হয়েছে কাজ। ইতিমধ্যেই নজরদারির জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে CCTV ক্যামেরা। যে যে এলাকার নীচে দিয়ে যাবে টানেল বোরিং মেশিন, তার অধিকাংশ বাড়িতে শুরু হয়ে গিয়েছে Tilt Meter-সহ একাধিক যন্ত্রাংশ বসানোর কাজ। যার মাধ্যমে সেই বাড়িগুলির সামান্য বিচ্যুতিও ধরা পড়বে মেট্রো ইঞ্জিনিয়ারদের চোখে। এই পথেই পড়বে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, এশিয়াটিক সোসাইটির মতো একাধিক হেরিটেজ বিল্ডিং। সেগুলির জন্য থাকছে বিশেষ নজরদারি।
advertisement
এমনকী, ‘দুর্গা’ বা ‘দিব্যা’-র পরিণতি যাতে ‘চণ্ডী’-র মতো না হয়, সেজন্য এই টানেল বোরিং মেশিনেও থাকছে বাড়তি ব্যবস্থা। মেশিনের সামনের দিকে খননকারী অংশের সঙ্গে যে যে অংশ জোড়া হচ্ছে, তার মুখে থাকছে বিশেষ ধরণের সিল। তা প্রয়োজনে রবারের মতো ফোলানো যাবে। এতে বাইরের কাদা, মাটি ও জল ঢুকতে পারবে না। মাটির প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কখনও ফুলে বা চুপসে জল ঢোকার পথ বন্ধ করা যাবে এই পদ্ধতিতে। মেশিনের পিছনের দিকে ব্যবস্থা থাকবে জল আটকানোর জন্য বিশেষ রাসায়নিক পাম্প করার। ফলে শেষের দিকে জল বা কাদা ঢোকার উপক্রম হলে তা আটকানো সম্ভব হবে।
