রেলমন্ত্রী তাঁর লিখিত জবাবে আরও কিছু তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ১৯৭২ সালে কলকাতায় মেট্রোর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৬৯ কিলোমিটার লাইন বসেছে শহরে। তার মধ্যে ১৯৭২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত, ওই ৪২ বছরে বসেছে ২৮ কিলোমিটার লাইন। এর মধ্যে বেশির ভাগ সময় জুড়েই কেন্দ্রের কংগ্রেসের সরকার ছিল। যার জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ৫,৯৮১ কোটি টাকা। ২০১৪ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত, ১১ বছরে অর্থাৎ নরেন্দ্র মোদির শাসনকালে মেট্রোয় ৪১ কিলোমিটার লাইন বসেছে। তার জন্য খরচ হয়েছে ২৫,৫৯৩ কোটি টাকা।
advertisement
অশ্বিনী জানিয়েছেন, কলকাতায় আরও ৫৬ কিলোমিটার লাইন বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তার মধ্যে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয় এবং রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে ২০ কিলোমিটারের কাজ আটকে রয়েছে। কলকাতা মেট্রোয় বিভ্রাট নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে সাম্প্রতিক কালে। কখনও লাইনে জল ঢুকে পড়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কখনও আবার প্ল্যাটফর্মের পিলারে ফাটল দেখা যায়! এ সব নানা কারণে প্রায়ই পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ যাত্রীদের বড় অংশ। অভিযোগ, সময়ে সময়ে রক্ষণাবেক্ষণ হলে, যাবতীয় সমস্যা চিহ্নিত হয়ে যাওয়ার কথা। মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার উদয় কুমার রেড্ডি জানিয়েছেন, পরামর্শদাতা সংস্থা RITES-কে টানেল ওভারহলের জন্য একটি সমীক্ষা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন– রাশিফল অগাস্ট ২০২৫: দেখে নিন এই মাস নিয়ে কী জানাচ্ছেন জ্যোতিষী চিরাগ দারুওয়ালা
এই সমীক্ষায় সিভিল স্ট্রাকচার থেকে শুরু করে ট্র্যাকের পরিকাঠামো পর্যন্ত সবকিছু মূল্যায়ন করা হচ্ছে। তিনি জানান, “সমীক্ষাটি প্রায় শেষের পথে এবং খুব শীঘ্রই আমরা একটি বিস্তারিত রিপোর্ট পেতে চলেছি।”টানেলটি ১৯৯৫ সালে চালু হয়েছিল এবং ১৬.৪৫ কিমি দীর্ঘ এই সুড়ঙ্গ কাট-এন্ড-কভার পদ্ধতিতে তৈরি। ১৯৮৪ সালে কলকাতায় দেশের প্রথম মেট্রো চালু হয়েছিল, আর ২০২৫-এ এটি ৪১ বছর পূর্ণ করেছে। এত বছরের ব্যবধানে শুধুমাত্র নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ হয়েছে, কিন্তু কোনও সময় বড় ধরনের সংস্কার হয়নি। তাই এই ওভারহল অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন রেল আধিকারিকেরা।
