এদিকে অভিযোগ সামনে আসতেই অভিযুক্ত শিক্ষক বাড়িতে নেই। এমনটাই জানিয়েছেন তাঁর বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী। জানা গিয়েছে, গতকাল বিকেলের পর থেকে আর বাড়িতে নেই অভিযুক্ত অধ্যাপক অতনু সাহা। ওই আবাসনের স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মাঝে মধ্যেই অন্য মহিলারা আসতেন অতনু সাহার ফ্ল্যাটে।
যাদবপুর থানা সূত্রে খবর, অভিযুক্তের বাড়িতে পুলিশ গেলেও খোঁজ মেলেনি শিক্ষকের। অভিযোগকারিণী ছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়েছে ইতিমধ্যেই। আলিপুর আদালতে গোপন জবানবন্দির আবেদন করা হয়েছে পুলিশের তরফে। অভিযুক্তের ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর মালদার বাড়িতে যাওয়ার কথা ভাবছে পুলিশ।
advertisement
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগের প্রধান। অভিযোগকারী ওই ছাত্রীর দাবি, বছর খানেক আগে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক বার সহবাস করেন ওই অধ্যাপক। নির্যাতিতা আরও জানান, সম্প্রতি তিনি বিয়ে করার কথা বললে ওই অধ্যাপক মানতে রাজি হননি। বাধ্য হয়ে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। যাদবপুর থানায় ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এরপরই অবশ্য ওই অধ্যাপককে বিভাগীয় প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
