আর্থিক পাচার মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে হানা দিয়েছিল ইডি। সংস্থার তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তে বাধা এবং নথি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ইডি। গত শুনানিতে সওয়ালের জন্য সময় চান ইডির আইনজীবী। আজ আবার এই মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে।
advertisement
সেদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ওইসব তাঁর দলের নথিপত্র। তাতে নির্বাচনী রণকৌশলের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র রয়েছে। সেসব ছিনতাইয়ের ষড়যন্ত্র করেছে ইডি, এই অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, দলের স্বার্থে তিনি সেসব ফাইল সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। আর তাঁর এই পদক্ষেপেই ইডির সঙ্গে সংঘাত তৈরি হয়।
আইপ্যাকে ইডি হামলার প্রতিবাদে তারপরের দিন যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে মিছিল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এরপরই একের পর এক ইস্যুতে বিজেপিকে তুলোধনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ” আমাকে আঘাত না করলে আমি ঘুমিয়ে পড়ি, রামকৃষ্ণ বা কৃষ্ণ উপকথা শুনি। যদি আমাকে আঘাত করে, তাহলে পুনর্জীবন পাই। গতকাল আমি প্রাণ পাই। কী করবে, আমাকে জেলে ভরবে?”
এর আগেও শুনানি পিছিয়েছে IPAC মামলার। সূত্রের খবর, সে সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কপিল সিব্বল অসুস্থ ছিলেন। সেই কারণেই আরও কিছুটা সময় চাওয়া হয় রাজ্যের তাঁর তরফে। সেই আবেদনে সম্মতি দিয়েছিল আদালত। ফলে পিছিয়ে যায় শুনানি। সলিসিট আর জেনারেল তুষার মেহতা প্রস্তাব দেন, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি শুনানি হোক। তারপরেই আজ শুনানির কথা ছিল। কিন্তু সেটাও হল না।
(বিস্তারিত আসছে)
