শহরের জল পরিষেবা উন্নয়নে ২১৫ কোটি টাকার বুস্টার পাম্পিং স্টেশন তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি গার্ডেনরিচ এলাকায় ১৪৪ কোটি টাকার ১৫ এমজিডি জল প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে রাজ্যের অর্থানুকূল্যে হচ্ছে। গড়িয়া সহ দক্ষিণ কলকাতার বহু এলাকায় যেখানে এখনও ডিপ টিউবওয়েলের উপর নির্ভরতা রয়েছে, সেখানে ধীরে ধীরে সারফেস ওয়াটার সাপ্লাই চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
advertisement
জল প্রকল্পের পাশাপাশি জয় হিন্দ এলাকায় ২৮৯ কোটি টাকার নতুন জল প্রকল্প, গড়িয়া ঢালাই ব্রিজের কাছে ১৯২ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প চালু হচ্ছে। শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকীকরণ করতে ৬ কোটি টাকা খরচে ২২টি বৈজ্ঞানিক কম্প্যাক্টার বসানো হচ্ছে। ধাপার বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা দেখতে বিদেশি প্রতিনিধিরাও আসছেন বলে জানিয়েছেন মেয়র।
নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়নে শহর জুড়ে ৪২৮ কোটি টাকার ড্রেনেজ প্রকল্প চলছে। পাইকপাড়া, ঋষিকেশ পার্ক সহ একাধিক এলাকায় কাজ এগোচ্ছে। ঠনঠনিয়া অঞ্চলে নেতাজির নামে নতুন ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশন তৈরি হচ্ছে, যার ফলে আগামী এক বছরের মধ্যে জল জমার সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে দাবি পুরসভার।
পরিকাঠামো উন্নয়নে ইতিমধ্যেই ৬৮৫ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার বা নতুন করে তৈরি করা হয়েছে। টালিনালার কাছে ১৩২ কোটি টাকার লকগেট নির্মাণ ও এডেড এলাকায় ১০৭১ কোটি টাকার কেআইআইপি প্রকল্পও চলছে। পাশাপাশি অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়ে ইতিমধ্যেই ১১,৫২৫টি অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র। শহর উন্নয়নের এই একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কলকাতার জল, নিকাশি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় বড়সড় পরিবর্তন আসবে বলেই মনে করছে পুরসভা।
