স্বাস্থ্য ভবনের স্ক্যানারে রাজ্যের একাধিক সরকারি হাসপাতাল। অভিযোগ, হাসপাতাল লেভেল ফায়ার সেফটি কমিটির পরিদর্শন বা ইন্সপেকশন রিভিউ রিপোর্টে এক তথ্য, অথচ স্বাস্থ্য ভবনে পাঠানো রিপোর্টে অন্য তথ্য। হাসপাতালে যেদিন ফায়ার সেফটি রিভিউ করা হয়েছিল, রিপোর্টের সেই দিনের তারিখের পরিবর্তে অন্য দিনের তারিখের উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ, বেশ কিছু হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সেফটি ক্লিয়ারেন্স নেই। হাসপাতালের অনেক বিল্ডিং ফায়ার সেফটি ক্লিয়ারেন্সে ফেল, আবার কোনও বিল্ডিংয়ে পাস। স্বাস্থ্যভবনের পর্যবেক্ষণ কিছু পুরনো বিল্ডিং রয়েছে হাসপাতালে, যেগুলো ঘিঞ্জি এলাকাতে অবস্থিত, সেখানে কোনভাবেই ফায়ার সেফটি প্রোটোকল মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। আগামী সাত দিনের মধ্যে নতুন করে ইনস্পেকশন করে ফায়ার সেফটি রিপোর্ট পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট পাঠালে নন কমপ্লায়েন্স হিসাবে ধরা হবে। স্বাস্থ্য ভবনের হাসপাতাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ব্রাঞ্চ সূত্রে খবর এমনটাই।
advertisement
এদিন সকালেই কলকাতায় আগুন লাগে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হয় কলকাতার অভিজাত আবাসন ‘আরবানা কমপ্লেক্স’-এ ! ঘটনাস্থলে ছুটে আসে দমকলের ২ টি ইঞ্জিন। তৎপরতার সঙ্গে শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। জানা যায়, আবাসনের 8 নম্বর টাওয়ারের ৫ তলায় আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে আবাসনের অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা কাজ করে। পরবর্তীতে দমকলের ২ টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে। ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। ২৬ জানুয়ারি আরবানা কমপ্লেক্সের পিছনে, আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুটি গোডাউনে বিধ্বংসী আগুন লাগে। আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় ৩০-এরও বেশি কর্মীর। সেই ঘটনার পর থানায় মোট ২৭ জনের নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনাক্ত হওয়া ১৮ জনের মধ্যে অধিকাংশই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বাসিন্দা। এছাড়া পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসিন্দারাও রয়েছেন। নাজিরাবাদের সেই ঘটনার ক্ষত এখনও দগদগে। তার মধ্যেই ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
