এই সুবিধা অসম, কেরল, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া দলগুলির জন্য প্রযোজ্য। প্রতিটি দলকে নির্দিষ্ট সময় (প্রায় ৪৫ মিনিট) বিনামূল্যে সম্প্রচারের সুযোগ দেওয়া হবে, পাশাপাশি আগের নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে অতিরিক্ত সময়ও বরাদ্দ করা হয়েছে।
কমিশন জানিয়েছে, প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের পর থেকে ভোটের দুই দিন আগে পর্যন্ত এই সম্প্রচার চলবে। পাশাপাশি, রাজনৈতিক দলগুলিকে আগাম স্ক্রিপ্ট জমা দিতে হবে এবং নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মান বজায় রাখতে হবে। এছাড়াও, দূরদর্শন ও আকাশবাণীতে বিশেষ আলোচনা ও বিতর্কেরও আয়োজন করা হবে।
advertisement
রবিবার সকালে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে একাধিক নিয়মকানুনের কথা জানিয়েছে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অসম, তামিলনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরিতে ভোট হচ্ছে। বলা হয়েছে, এই চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ২ লক্ষ ১৮ হাজার ৮০৭ টি বুথে ভোটারদের জন্য ন্যূনতম পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে পানীয় জল, পর্যাপ্ত জল-সহ শৌচাগার, ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত আলোর মতো কয়েকটি বন্দোবস্ত। ভোট দিতে দাঁড়ানোর জন্য ছায়ার আশ্রয়, প্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য উপযুক্ত র্যাম্প, বিচ্ছিন্ন ভোটকক্ষ এবং উপযুক্ত চিহ্নিতকরণ নিশ্চিত করতে বলেছে কমিশন।
ভোটারদের সুবিতধার জন্য বুথের বাইরে চার ধরনের পোস্টার টাঙিয়ে দেবে কমিশন। সেখানে প্রার্থীদের নাম-সহ একাধিক খুঁটিনাটি তথ্য থাকবে। বুথের কাছে থাকবে ভোটার সহায়তা কেন্দ্রও। সেখানে বুথ স্তরের আধিকারিকদের (বিএলও) থাকতে বলা হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে মোবাইল ফোন হয় সুইচ অফ রাখতে হবে নয়তো বা সাইলেন্ট মোডে। ফোন জমা রেখে বুথে ঢুকতে পারবেন ভোটারেরা।
