এই ঘটনায় কমিশনের অভিযোগ, দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও BDO প্রোটোকল মানেননি। দায়িত্বে গাফিলতির কারণে নির্বাচনী পরিবেশে প্রভাব পড়েছে বলে মত জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। ঘটনায় অবিলম্বে সাসপেনশন ও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সেইসঙ্গে ১ এপ্রিল সকাল ১১টার মধ্যে রাজ্যকে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ কমিশনের।
advertisement
প্রসঙ্গত, গত ২৭ মার্চ নদিয়ার হাঁসখালি ব্লকের অধীনে রানাঘাট দেবনাথ ইনস্টিটিউশনে (গার্লস অ্যান্ড কো-এড) প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের একটি প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, সেই শিবিরের মাঝেই চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় এবং সৈকত চট্টোপাধ্যায় নামে এক শিক্ষক গুরুতর জখম হন। মাথায় আঘাত নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এই ঘটনায় রানাঘাট থানায় এফআইআর-ও দায়ের করা হয়েছিল সেই দিন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এবার কড়া মনোভাব জাতীয় নির্বাচন কমিশনের।
চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, প্রশিক্ষণ শিবিরের দায়িত্বে ছিলেন হাঁসখালির বিডিও। কমিশনের মতে, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিডিও-র পক্ষ থেকে চরম গাফিলতি ও গুরুত্বহীনতা দেখা গিয়েছে। অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করার ক্ষেত্রে কমিশনের প্রচেষ্টায় এই ঘটনা নিন্দনীয়।
রাজ্যের মুখ্যসচিবকে লেখা চিঠিতে কমিশন সাফ জানিয়েছে, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত প্রোটোকল মেনে চলতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। সায়ন্তন ভট্টাচার্যকে অবিলম্বে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করতে হবে। সেই সঙ্গে এই প্রশাসনিক গাফিলতির জন্য তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে নবান্নকে।
