গত ২৩ মার্চ ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারদের প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হয়েছিল। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছিল, সেই তালিকায় প্রায় ২৭ লক্ষের কাছাকাছি বিবেচনাধীন ভোটারদের নাম প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে ২৭ মার্চ, অর্থাৎ শুক্রবার দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হয়। তারপরে পর পর বেশ কয়েকটি তালিকা প্রকাশিত হয়।
আরও পড়ুন: শুধু মমতা-শুভেন্দু নন, বাংলার নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর আর কোন নেতারা? নামের সঙ্গে রইল কারণও
advertisement
রাজ্য নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার জানিয়েছে, ৬০ লাখ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। যাদের নাম বাতিল হয়েছে তারা বিচারকদের কাছে ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারবেন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানান, এসপি মুখার্জি ইনস্টিটিউশন বেহালাতে ট্রাইবুনালের ব্যবস্থা করা হতে পারে। ওখানেই ১৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট বসতে পারবেন। জল শক্তি মন্ত্রক সবুজ সংকেত দিলেই ট্রাইবুনালের কাজ শুরু করা হবে। খুব দ্রুত শুরু করার চেষ্টা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: জানেন ভারতের কোন রাজ্যে পেট্রলের দাম সবচেয়ে কম? কেনই বা বিভিন্ন রাজ্যে তেলের দাম আলাদা হয়
পাশাপাশি ৬ নম্বর ফর্ম নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিইও বলেন, “আমাদের অফিসে একগাদা ফর্ম ৬ অভিযোগ জমা পড়েছে বলে বলা হচ্ছে। আমাদের এটা সরকারি অফিস, আমাদের এখানে যে কেউ ডকুমেন্ট জমা দিতে পারে। এখানে কোনো নিষেধ নেই। আমার কাছে কোনো খবর থাকে না কী জমা পড়েছে। এখানে সিস্টেম বউন্ড ডাউন আছে। আমার জানা ছিল না কত ফর্ম ৬ জমা পড়েছে। ফর্ম ৬ এর নিয়ম কী বলে দিচ্ছি। ফর্ম ৬ ERO-এর যে কোনও অফিসে জমা পড়তে পারে। ফর্ম ৬ জমা দিতে কোনও বাধা নেই। ২৭ তারিখ এর আগে যে ফর্ম ৬ পাব, আর ৩০ তারিখ ফর্ম ৬ পাব সেটা দ্বিতীয় দফায় যদি নিস্পত্তি হয়ে যায় তাহলে ভোটার তালিকায় অন্তরভূক্ত হতে পারেন”।
