মল্লিকবাজার হোক বা ওয়েলিংটন। গাড়ির যন্ত্রাংশের বাজার সরগরম। চাহিদা একটাই, গগণভেদী শব্দ। বাইকে বাজছে চার-চাকার হর্ন। আর চারচাকায় হর্ন বাজছে ছ’চাকার সুরে। থুরি। শব্দে। দক্ষ মিস্ত্রির দক্ষতায় মূহূর্তে বদলে যাচ্ছে গাড়ির হর্ন। একটানা হর্ন বাজাতে ব্যবহার করা হচ্ছে চেঞ্জার। বেআইনি মুরগি হর্ন, ডগ হর্ন ,শঙ্খ হর্নের বাজার তুঙ্গে । চোরাগোপ্তা মিলছে এয়ারহর্নও। গাড়িওলাদের যুক্তি , জোরে হর্ন না বাজালে মানুষ গুরুত্ব দেয় না। নর্মাল হর্ন কানে যায় না এসি গাড়ির চালকদেরও। অগত্যা....
advertisement
শুধু হর্ন নয়। বাইকের সাইলেন্সার পাইপেও ভরে দেওয়া হচ্ছে বিকট আওয়াজ। বাইকারদের অজুহাত, হেডফোন লাগিয়ে রাস্তায় হাঁটে পাবলিক। হর্ন না বাজালে তো অ্যাক্সিডেন্ট হবে। বাইক বা গাড়ির ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন ভাঙলে যেভাবে ধরপাকড় হয়, শব্দদূষণের ক্ষেত্রে ততটা কড়া পদক্ষেপ হয় কি?
Location :
First Published :
Oct 20, 2019 1:04 PM IST
