নবজোয়ার কর্মসূচীতে ঝাড়গ্রামে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলা এবং অভিষেকের কর্মসূচির মাঝে বীরবাহা হাঁসদার কনভয়ে হামলা নিয়ে রীতিমতো উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। অভিযোগ, ঘটনার দিন হামলাকারীরা স্লোগান দিতে ইট ও পাথরবৃষ্টি করে।
আরও পড়ুন: ফের বিস্ফোরক অর্জুন সিং! কী বললেন এবার ব্যারাকপুরের সাংসদ? তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি!
অন্যদিকে, হামলার ঘটনায় কুড়মিদের ক্লিনচিট দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবারই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘আমি এখনও বিশ্বাস করি, আমার কুড়মি ভাইয়েরা একাজ করতে পারে না’। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি, কুড়মিদের নাম করে এই অত্যাচার করেছে বিজেপি’।
advertisement
তবে এত কিছুর পরও কেন হামলার ঘটনায় একের পর এক কুড়মি নেতা গ্রেফতার হচ্ছেন, সে প্রশ্ন তুলে সরব হলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি জঙ্গলমহলে কোনও বিজেপি কর্মী গায়ে হাত দিলে আগুন জ্বলবে বলেও সাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি।
সোমবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে দিলীপ ঘোষ এই প্রসঙ্গে মুখ খোলেন। বলেন, “জঙ্গলমহলে বিজেপি কর্মীর গায়ে হাত দেবেন না, জ্বলে যাবে। বিজেপি কর্মীদের গায়ে হাত দিলে জঙ্গলমহলে ঢুকতে পারবেন না। তৃণমূলের কোনও নেতাকে জঙ্গলমহলে থাকতে দেব না। এই আন্দোলন কালীঘাট অবধি যাবে।”
আরও পড়ুন: ১৫০০ কোটি টাকা দিয়ে কীসের ‘টিজার’ দিলেন মোদি? তুমুল কটাক্ষে অভিষেক!
আরও পড়ুন: AC-র তাপমাত্রা ‘কত’ রাখলে তরতরিয়ে কমবে বিদ্যুৎ বিল? জেনে নিন ‘ট্রিক্স’
প্রসঙ্গত, শুক্রবার সন্ধ্যায় ৫ নম্বর জাতীয় সড়কে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল কুড়মি সম্প্রদায়ের লোকেরা। সেই সময় অভিষেকের কনভয় গড় শালবনি এলাকায় যাওয়ার পথে বিক্ষোভ বাড়ে। এমনকি নেতার কনভয়ে হামলারও অভিযোগ উঠে। অন্যদিকে, অভিষেকের কনভয় বেরিয়ে যাওয়ার পর কনভয়ে থাকা আদিবাসী নেত্রী তথা মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়িতে ইট এসে পড়ে। যাতে মন্ত্রীর গাড়ির কাঁচ ভেঙে যায়। জখম হন বিরবাহা। এরপর থেকেই এই নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি।
