কংগ্রেসের কর্মসমিতির বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদিও বাকি ৮ আসনে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রার্থী নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে দলের তিনি জানান। কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় অধীর চৌধুরীর নাম থাকতে পারে বলেও মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অধীর নিজেও বহরমপুর থেকে ভোটে লড়ার কথা বলেছেন। যদিও এবিষয়ে সরাসরি কিছু জানাননি গুলাম আহমেদ। তবে তিনি জানান, রাজ্যের যত হেভিওয়েট নেতা আছেন, সবাই ভোটে লড়বেন।
advertisement
ফলে অধীর, মৌসমদের নাম থাকার সম্ভাবনা ঘিরে তৈরি হয়েছে জল্পনা। প্রসঙ্গত, গত কয়েকটি বিধানসভা আসনে বাম কংগ্রেস একসঙ্গে জোট করে লড়েছে। তবে এবার প্রায় ২০ বছর পর ২৯৪ আসনে একাই লড়তে চলেছে কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস একাই ভোটে লড়ার কথা ঘোষণা করার পরেই দলের কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছিল। ইতিমিধ্যেই দলের তরফে কর্মীদের দেওয়াল দখল ও নির্বাচনী প্রচারের কর্মসূচীতে অংশ নিতেও বলা হয়েছে।
তবে, এত দেরিতে প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় জেলায় জেলায় ক্ষুব্ধ কংগ্রেস কর্মীরা। এমনকী টিকিটপ্রার্থীরাও দলের রাজ্য ও কেন্দ্র নেতৃত্বকে দোষারোপ শুরু করছেন। কিছু কিছু সম্ভাব্য প্রার্থী নিজেদের মতো করে প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন। এবার শুরু থেকেই জল্পনা ছিল, কংগ্রেস রাজ্যে নিজেদের সব হেভিওয়েটকে লড়াইয়ে নামাবে। সেই মতো কিছু কিছু হেভিওয়েট প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্তর থেকে প্রার্থী ঘোষণা না হওয়ায় শেষমেশ অধীর চৌধুরী, মোহিত সেনগুপ্ত, আলি ইমরান রামজ ভিক্টর, অমল আচার্যদের অনুগামীরা নিজেদের নেতাদের প্রার্থী হিসাবে ধরে নিয়ে প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন।
