রাষ্ট্রপতির এই অভিযোগের পরই তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক মণীশ মিশ্র এবং শিলিগুড়ির পুলিশ সুপার সি সুধাকরকে কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনে চেয়ে রাজ্য সরকারকে চিঠি দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷ দুই আধিকারিককে ডেপুটেশনে ছাড়া হবে কি না, তিন দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারের থেকে সেই উত্তরও চেয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷
কেন্দ্র চিঠি দিলেও দুই আধিকারিককে ছাড়া হবে না বলেই রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর৷ শুধু তাই নয়, কেন্দ্র ডেপুটেশনে চেয়ে পাঠালেও এ দিনই দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক মণীশ মিশ্রকে স্বরাষ্ট্র দফতরে বদলি করা হয়েছে৷ স্বরাষ্ট্র দফতরের সিনিয়র স্পেশ্যাল সেক্রেটারি পদে নিযুক্ত করা হয়েছে তাঁকে৷ তাঁর জায়গায় দার্জিলিংয়ের নতুন জেলাশাসক করা হল সুনীল আগরওয়ালকে৷ তিনি এর আগে ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক ছিলেন৷
advertisement
নবান্ন সূত্রে খবর, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু যেভাবে প্রশাসনিক অসহযোগিতার অভিযোগে সরব হয়েছিলেন, তার জেরেই দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকে ডেপুটেশনে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে বলে মনে করছে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ মহল৷ শেষ পর্যন্ত দুই আধিকারিককে রাজ্য সরকার না ছাড়লে কেন্দ্র পাল্টা কোনও পদক্ষেপ করে কি না, তা নিয়েও রাজ্য প্রশাসনের অন্দরে আলোচনা শুরু হয়েছে৷
আমলাদের ডেপুটেশনে চাওয়া নিয়ে অতীতেও রাজ্য সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে৷ বছর পাঁচেক আগে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ডেপুটেশনে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার৷ শেষ পর্যন্ত অবশ্য দিল্লি না গিয়ে অবসর নিয়ে নেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এর পর মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি৷
