রাতের বেলা বাছাই করা স্টেশন ও কারশেডে বাড়ানো হচ্ছে রেলরক্ষী বাহিনী। মোটরম্যান ও গার্ডকে বলা হয়েছে দায়িত্ব নিয়ে কেবিন-ক্যাব লক করতে। এছাড়া সন্দেহজনক কাউকে দেখলেই জানানো হচ্ছে সংশ্লিষ্ট আরপিএফ পোস্টে। শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএম রাজীব সাক্সেনা জানিয়েছেন, সংবেদনশীল স্টেশন হোক বা সাধারণ প্রান্তিক স্টেশন। প্রতি স্টেশন থেকে লাইভ ফিড ক্রমাগত আসতে থাকে ওয়ার রুমে। সারাক্ষণ তাতে নজরদারি চালানো হয়। কিছু সন্দেহজনক গতিবিধি দেখলেই দ্রুত সেই স্টেশনের আরপিএফ পোস্টে জানানো হয়। এছাড়া মোটরম্যান ও গার্ডদের বলা হয়েছে দায়িত্ব নিয়ে সম্পূর্ণ ভাবে তাদের কেবিন লক করতে হবে।
advertisement
ইতিমধ্যেই ডিভিশনাল হেডদের নিয়ে তৈরি করা হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। সেখানে প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর অন্তর আসতে থাকে রেল স্টেশনের আপডেট ছবি ও ভিডিও সহকারে। মূলত যেগুলো বড় স্টেশন ও সংবেদনশীল স্টেশন সেই সব স্থান থেকে। বর্তমানে যে লাইভ ফিড আসে তাতে যাত্রীদের চিহ্নিত করে হিউম্যান লেখা থাকে। আগামীদিনে রেল চাইছে এই আধুনিক ক্যামেরার মাধ্যমে ফেস রেকগনিশন সিস্টেম আরও আধুনিক করতে। এর ফলে বিভিন্ন ল’ এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির থেকে দুষ্কৃতীদের ছবি পাওয়া গেলে তা শেয়ার করা থাকবে। যদি কেউ সেই স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করেন তা রেড কোড মার্ক হিসাবে স্ক্রিনে ধরা পড়বে। কাটোয়ার ঘটনার পরে প্রান্তিক স্টেশনগুলোতে বাড়ানো হয়েছে রাতের নিরাপত্তা যেখানে ট্রেন শান্টিং করা থাকে। অবৈধ যাতায়াত ঠেকানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কে বা কারা দাঁড়িয়ে থাকা কোচের দিকে যাচ্ছেন তা নজর রাখা হচ্ছে।
