বুধবার দিনভর উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ইয়াস বিধ্বস্ত এলাকা চষে বেরিয়েছিলেন অভিষেক। তার পরেই হঠাৎ তিনি চলে যান বাইপাসের ধারে ওই হাসপাতালে। হাসপাতালে তখন ছিলেন না মুকুল রায় কিন্তু ছিলেন মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু। অভিষেকের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় শুভ্রাংশুর। কৃষ্ণাদেবীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন অভিষেক। শুভ্রাংশুকে এই কঠিন সময়ে শক্ত থাকার পরামর্শ দেন তিনি। অভয় দিয়ে বলেন, পাশে আছি।
advertisement
মুকুল রায় নিজে বেশ কিছুদিন অসুস্থ। আইসোলেশনে থাকতে হয়েছে করোনা মুক্ত হওযার পরেও। অসুস্থ তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণা দেবীও। এক কথায় বললে রায় পরিবারের এখন কঠিন সময়। কৃষ্ণা দেবী এখনো একমো সাপোর্টে রয়েছেন শারীরিক অন্যান্য জটিলতার কারণে। কিন্তু ২৩ দিন হয়ে গেলেও হাসপাতল চত্বরে কোনও বিজেপি নেতাকেই দেখা যায়নি। ফলে বলা চলে অভিষেক পৌঁছেছেন বিজেপি নেতাদের আগেই। আর অভিষেক পৌছতেই যেন ড্যামেজ কন্ট্রোলে' টনক নড়েছে রাজ্য বিজেপির।
দিন কয়েক আগে বিতর্কিত মন্তব্য করে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু। তিনি বলেছিলেন জনগণের রায় জিতে আসা সরকারের সমালোচনা করে আগে আত্মসমালোচনা করা প্রয়োজন। মন্তব্যের কারণেই কি দূরত্ব ? দিলীপ ঘোষ অবশ্য তত্ত্ব। বললেন, "সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ নিজের মন্তব্য প্রকাশ করতেই পারে বাস্তবের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ার হঠাৎ মন্তব্যের অনেক পার্থক্য রয়েছে।"
অর্থাৎ আপাত দৃষ্টিতে দূরত্বের কোনও কারণ ঘটেনি। কিন্তু তাহলে কেন বিজেপির কেউসর্বভারতীয় সহ-সভাপতির স্ত্রীকে দেখতে এলন না কেন, এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি। যেমন দিলীপ ঘোষ উত্তর দেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাসপাতালে আসা নিয়েও। তবে হ্যাঁ, অভিষেকের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক শিষ্টাচার হিসেবেই দেখছেন তিনি।
-অরূপ দত্তের ইনপুট
