হলফনামা অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তাঁর বার্ষিক আয় ছিল ২৫ হাজার ৭০ টাকা, যেখানে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ১১ লক্ষ ৮৫ হাজার ২২০ টাকা। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের পার্লামেন্ট হাউস শাখায় তাঁর অ্যাকাউন্টে ৬ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৬৯ টাকা রয়েছে। ৮ লক্ষ ১৫ হাজার ৭০৫ টাকার এসবিআই ফোলিও মিউচুয়াল ফান্ড, ৩ লক্ষ টাকার জীবনবিমা পলিসি রয়েছে। রয়েছে একটি ২২ লক্ষ ২৭ হাজার টাকার গাড়ি এবং ২৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার সোনার গয়না।
advertisement
অধীরের স্ত্রী অতসী চ্যাটার্জি চৌধুরীর আয় ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ছিল ১৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৫৭০ টাকা এবং ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ২০ লক্ষ ৪২ হাজার ৩৪০ টাকা। বর্তমানে তাঁর কাছে ৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা রয়েছে।
অধীরের কাছে ২০০ গ্রাম সোনা রয়েছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। তাঁর একটি গাড়িও রয়েছে। তাঁর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৪৮ লক্ষ ৪০ হাজার ৬০২ টাকা। অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রীর স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ৪ কোটি ৩২ লক্ষ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা। অতসীর কাছে ৭৩০ গ্রাম সোনা রয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ৭৪ হাজার টাকা। তাঁর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ২৭ লক্ষ ৮৯ হাজার ৯৩৪ টাকা।
হলফনামায় অধীর জানিয়েছেন, তাঁর উপর নির্ভরশীল সন্তানের ২৭ লক্ষ ৯২ হাজার ৩২৯ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। সংসদে দীর্ঘদিন হিন্দি এবং ইংরেজিতে স্বচ্ছন্দে বক্তৃতা করেন৷ সেই অধীর চৌধুরী পড়াশোনা করেছেন নবম শ্রেণি পর্যন্ত৷ পেশায় ‘রাজনীতিক এবং সমাজকর্মী’ অধীর হলফনামায় উল্লেখ করেছিলেন সাংসদপদের ভাতা তাঁর মূল আয়ের উৎস। তাঁর স্ত্রী রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি বিশেষ কর্মসূচিতে পরামর্শদাতা হিসাবে কাজ করেন বলেও জানিয়েছিলেন অধীর।
অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে জমায়েত, গোষ্ঠী সংঘর্ষে উস্কানি এবং তদন্তকারী আধিকারিককে হুমকি দেওয়ার মতো মোট পাঁচটি মামলার অভিযোগ রয়েছে।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের কাছে প্রায় ৮৫ হাজার ভোটে পরাজিত হন। এরপর ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস।
