তাছাড়াও রোগীদের জন্য রয়েছে টিভি, এসি, সোফা কাম বেড, গিজার, অ্যাটেনডেন্টদের থাকার জায়গা ইত্যাদি। এই কেবিনের খরচ দৈনিক এক হাজার টাকা। তার সঙ্গে এই হাসপাতালে রোগীদের ডায়েটের জন আলাদা করে কোনও খরচ পড়বে না। তবে বাকি চিকিৎসার সমস্ত খরচই লাগু হবে। কোনও কিছুই ফ্রি নয়। যদিও টিসি, ডিসি, ইএসআর থেকে শুরু করে এক্স-রে, এমআরআই, সিটি স্ক্যান-সমস্ত রক্ত ও রোগ পরীক্ষা এবং যাবতীয় চিকিৎসা খরচ দিতে হবে ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিমের রেটে।
advertisement
আরও পড়ুন- একটুর জন্য প্রাণে রক্ষা…! গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে আগুন, বিরাট দুর্ঘটনা থেকে বাঁচলেন টলি নায়িকা
আরও পড়ুন- স্পষ্ট ‘বেবিবাম্প’! বিয়ের ১০ মাসেই ঘটা করে সাধ খেলেন মোহর, হবু মা-কে আলিঙ্গন দুর্নিবারের, রইল ছবি
তবে উডবার্ন ওয়ার্ডের মতো এখানেও ক্যাশলেস হেলথ স্কিমের সুবিধা নেই। তবে রাজ্য সরকারি কর্মীরা হেলথ স্কিমে রি এমবার্সমেন্টের সুবিধা পাবেন। তবে এখানে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা মিলবে না। নগদ টাকা দিয়ে রোগীকে মেটাতে হবে হাসপাতালের যাবতীয় চিকিৎসার খরচ। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কেবিন চালুর পর থেকেই কিছু রোগী ভর্তি হতে শুরু করেছেন।
তবে এই কেবিনগুলি নিয়ে কিছু সমস্যা রয়েছে। মূল সমস্যা, সার্জারি ব্লক থেকে দূরত্ব বেশি হওয়ায় এখানে অপারেশনের জন্য আসা রোগীদের ভর্তি করতে চাইছেন না হাসপাতালের সার্জেনরা। মূলত মেডিসিনের সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের এখানে রাখা হচ্ছে। তবে শুধু এম আর বাঙুর হাসপাতাল নয়, পাশাপাশি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশ্যালিটি ভবনের আট এবং ন’তলার ২৬টি কেবিন আপাতত বন্ধ থাকলেও জোরকদমে চলছে সংস্কার কাজ। জানা গিয়েছে, আগামী মাস তিনেকের মধ্যে রোগীদের জন্য চালু হয়ে যাবে কেবিনগুলি।
