অভিষেক জানান, ‘বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলছে জ্ঞানেশ কুমার। আমার নামে মামলা করুন। আমি তথ্য দিয়ে লড়ে নেব। জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ হয়েছে কারণ সুপ্রিম কোর্টের ভরসা নেই ইসির ওপর। শশী পাঁজা, গোল্লাম রাব্বানি, রফিকুর রহমান, তোরাফ হোসেন, স্বাতী খান্দকার, কাজল শেখ নাম আন্ডার অ্যাডজুকিশেনে দেখানো হয়েছে। সন্দেশখালি, ময়নাগুড়ির বিডিও’র নাম দেখানো হয়েছে। একাধিক কেস এমন আছে।’
advertisement
অভিষেকের প্রশ্ন, ‘এই ৫ লক্ষ ফ্রম সেভেন এডিশন হল কীভাবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসির কোনও উল্লেখ ছিল না। প্রথম ড্রাফট লিস্ট দেখার পর আমি জানিয়েছিলাম বাংলার ডিলিসন অনেক কম। বাংলায় বিজেপির টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামে একটা জিনিস ঢুকিয়ে দিল । যেহেতু বাংলার বিজেপি নেতারা বলেছিল আগেই এক কোটি বা তার বেশি নাম বাদ যাবে। আমরা বলেছিলাম তালিকা প্রকাশ করতে। তারা করল না। পরে সুপ্রিম কোর্টের কথায় ধাপে ধাপে করবে বলল। ২১শে ফেব্রুয়ারি পর থেকে AERO পোর্টাল বন্ধ করা হয়। ১৪ লক্ষ কেস ছিল অমিমাংসিত। কোন জাদুবলে সেটা বেড়ে ৬০ লক্ষ হল? ১৬০ জন মারা গেছে ওঁর কাছে ছোট ব্যাপার। অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সাত আট ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছে, বলছে ছোট ব্যাপার।’ তাঁর কথায়, বিরোধী দলনেতা SIR এর আগে বলছেন এক কোটি ২৫ লক্ষ বাদ যাবে। শান্তনু ঠাকুর বলেছেন এক কোটি ২০ লক্ষ বাদ যাবে। এবার অমিত শাহের কথা অনুযায়ী ক্রোনোলজি সামাঝ লিজিয়ে। টার্গেট অনেক আগে সেট করে দিয়েছে।
