আমেরিকার এক কনজারভেটিভ টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এ বিষয়ে একটি ব্রডকাস্ট প্রোগ্রাম চালানোর পরে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয় সব মহলে৷ ওই রিপোর্টে বলা হয়েছিল আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় হামলা চালাতে ভারতীয় নৌসেনার বন্দর, ঘাঁটি ব্যবহার করছে৷
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক “সামরিক সূত্র”-এর উদ্ধৃতি দিয়ে লেখা ওই অংশে বলা হয়েছে যে, পারস্য উপসাগরে ইরানের প্রভাব মোকাবেলার লক্ষ্যে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বৃহত্তর কৌশলগত সমঝোতার অংশ হিসেবে এই সহযোগিতা করছে।
advertisement
এই প্রতিবেদনটি দ্রুত X এবং Telegram সহ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে৷ যা নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক আলোচনা এবং জল্পনা শুরু হয়।
ওই প্রতিবেদনগুলির প্রতিক্রিয়ায়, সরাসরি দাবি খারিজ করে পাল্টা পোস্ট করেছে MEA-এর ফ্যাক্টচেক অ্যাকাউন্ট।
বিদেশ মন্ত্রকের পোস্টে লেখা হয়েছে, “মার্কিন নৌবাহিনী ভারতীয় বন্দর ব্যবহার করছে বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক চ্যানেল OAN-তে যে দাবি করা হচ্ছে তা ভুয়ো এবং মিথ্যা। আমরা আপনাকে এই ধরনের ভিত্তিহীন এবং বানানো মন্তব্যের বিরুদ্ধে সতর্ক করছি৷”
আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের লাগাতার সামরিক সংঘর্ষের আবহে যখন কানাডা, স্পেনের মতো দেশের এই যুদ্ধে যোগ দেওয়া নিয়ে নানা জল্পনা চলছে, তখন ভারতের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে৷
মঙ্গলবার, বিদেশ মন্ত্রক আরও জোর দিয়ে বলেছে যে উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা সরকারের কাছে প্রধান অগ্রাধিকার। প্রায় এক কোটি ভারতীয় নাগরিক উপসাগরীয় দেশগুলিতে বাস করেন এবং কাজ করেন৷ সেই কারণে এই অঞ্চল অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে ভারতের জন্য অত্যন্ত। আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, সরকার মধ্য প্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভারতের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষে আলোচনা চালাচ্ছে।
