একপর্যায়ে ট্রাম্প কিউবার প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, ‘খুব শীঘ্রই কিউবার পতন ঘটবে। যদিও বিষয়টা অপ্রাসঙ্গিক, তবু বলে রাখছি যে কিউবারও পতন ঘটতে যাচ্ছে। তারা একটি চুক্তি করার জন্য মরিয়া হয়ে আছে।’ ট্রাম্পের কথায়, ‘তারা একটি চুক্তি করতে চায়। তাই আমি মার্কোকে (পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও) সেখানকার দায়িত্ব দেব। তারপর দেখব কী হয়।’ তবে এই মুহূর্তে ইরানই তাঁদের অগ্রাধিকারের জায়গা বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।
advertisement
এর এক দিন আগে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেছিলেন, কিউবার বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকদের তাঁদের জন্মভূমি কিউবাতে ফিরে যাওয়াটা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। এর মধ্য দিয়ে তিনি ইঙ্গিত করেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের পর ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী এজেন্ডা হতে পারে কিউবা। গত বৃহস্পতিবার নিজের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে ইঙ্গিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি খুব ভাল কাজ করছেন। আর আপনার পরবর্তী কাজ হবে বিশেষ করে কিউবাকে নিয়ে, যেটা আমরা করতে চাই।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেছিলেন, ‘তিনি (রুবিও) এখন অপেক্ষা করছেন। তবে তিনি বলেছেন, “আগে এটাকে শেষ করি।” আমরা চাইলে সবকিছু একই সময়েও করতে পারতাম, কিন্তু তখন খারাপ কিছু ঘটে যেত। বছরের পর বছর ধরে আপনি যদি বিভিন্ন দেশকে লক্ষ্য করে থাকেন, দেখবেন সবকিছু খুব দ্রুত করতে গেলে খারাপ কিছু ঘটে। আমরা আমাদের দেশের সঙ্গে কোনও খারাপ কিছু ঘটতে দেব না।’
