টরেন্টো: শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়ার প্রভাবে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৩ দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ১৯১ জন। এমন পরিস্থিতিতে দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলের কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছে সরকার।
advertisement
ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্রটিতে এক সপ্তাহ ধরে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে সৃষ্ট বন্যায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে।
শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) জানিয়েছে, বন্যায় ২০ হাজারের বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১ লাখ ৮ হাজার মানুষকে সরকার পরিচালিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ডিএমসির মুখপাত্র প্রদীপ কডিপিল্লি বলেছেন, বন্যায় সাময়িকভাবে বাস্তুচ্যুত হওয়া আরও ৭ লাখ ৯৮ হাজার মানুষের সাহায্য প্রয়োজন। বন্যায় এখন পর্যন্ত ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে উত্তর-মধ্যাঞ্চলীয় কুরুনেগালা জেলায় শনিবার বিকেলে বন্যায় প্লাবিত একটি বৃদ্ধাশ্রমের ১১ জন বাসিন্দাও আছেন।
উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার বন্যায় আটকে পড়া ৬৯ বাসযাত্রীকে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। তাঁদের মধ্যে একজন জার্মান পর্যটকও আছেন। তাঁরা অনুরাধাপুরা জেলায় আটকা পড়েছিলেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন যাত্রী জানান, নৌবাহিনীর নাবিকেরা দড়ি ব্যবহার করে বন্যার জল পার করিয়ে নিকটস্থ একটি বাড়ির ছাদে উঠতে তাঁদের সাহায্য করেছিলেন।
