সানার বয়স ৩১৷ শরীরে বাড়তি লোম দূর করতে তিনি লেজার ট্রিটমেন্ট করতে যান৷ সাধারণত রূপটানের এমন শখ থাকে বহু মহিলার৷ এর জন্য কাড়ি কাড়ি টাকা খরচের জন্যও পিছপা হন না তাঁরা৷ নিজেকে আরও সুন্দর করে তুলতে সানাও পা বাড়িয়েছিলেন সেই পথে৷ কিন্তু তা যে এভাবে সানার ক্ষতি করবে, কোনও ভাবেই ভাবতে পারেননি তিনি৷ এখন শরীরের এমন দশা যে নিজেকে মহিলা বলেই মনে হয় না, জানিয়েছেন সানা! ২০১৮-এ এক প্রসিদ্ধ বিউটি ক্লিনিকে যান তিনি৷ শুরু হয় শরীরচর্চা৷ তবে শরীরের লোম দূর করার বদলে, শরীরে আরও লোম গজিয়েছে বলে সানার অভিযোগ৷ ৮ দফায় শরীরে লোম ওঠানোর প্রক্রিয়া চলে৷ তবে তারপর নাকি তাঁর লোম আরও বড় আকার নিয়েছে৷ এমনকি একটি সিস্টও বাসা বেঁধেছে শরীরে৷ ক্লিনিকের ডাক্তার তাঁর অস্ত্রোপচার করবেন বলেও সেটা হয়নি৷
advertisement
খুবই কষ্টে ছিলেন সানা৷ সিস্টের কারণে সব পোশাকও তিনি সচ্ছ্বন্দ্য বোধ করতেন না৷ তবে এই ধরণের কোনও নির্দেশ দেয়নি বিউটি ক্লিনিক৷ তাই দীর্ঘদিন ভুগে নিজে থেকেই এই সমাধানের রাস্তা খুঁজেছেন সানা৷ এখন আর জিন্সের কাপড় বা প্যান্ট পরতে পারেন না তিনি৷ এতটাই নাজেহাল হয়েছিলেন সানা যে, শেষ পর্যন্ত নিজেই শুরু করেন লেজার ট্রিটমেন্ট নিয়ে গবেষণা৷ এরপর নিজেরই একটি ক্লিনিক খুলে ফেলেন লিভারপুলের বাসিন্দা সানা৷ তাঁর দাবি যে সকলকে তিনি ঠিক পরিষেবাই দেবেন৷ নিজে যেমন ভুগেছেন, তেমন সমস্যায় যাতে কাউকে আর পড়তে না হয়, সেই দিকে তাঁর নজর থাকবে!
