নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনেরা উদ্ধারকাজের ধীরগতির সমালোচনা করেছেন। সেখানে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে মরদেহ খুঁজে দেখছেন। বৃহস্পতিবার গুল প্লাজার বাইরে কয়েকটি পরিবার প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও অংশ নেয়। বৃহস্পতিবার পুলিশ সার্জন সুমাইয়া সৈয়দ সাংবাদিকদের বলেন, ৫০টির বেশি পরিবার দেহ শনাক্তের জন্য ডিএনএ নমুনা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্লাজার একটি পুড়ে যাওয়া দোকান থেকে অন্তত ৩০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১।
advertisement
করাচির কমিশনার সৈয়দ হাসান নকভি জানান, ভবনের ভেতরে অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মান মেনে করা হয়নি। আগুনের পেছনে নাশকতার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। করাচির মেট্রোপলিটন কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, ভবনের ছাদে যাওয়ার দরজাটি বন্ধ ছিল। তাই কেউ সেখানে প্রবেশ করতে পারছিল না। তিনি বলেন, বাজারটি বন্ধ হওয়ার সময় আগুন লেগেছিল। এই কারণে বের হওয়ার সব পথ বন্ধ ছিল।
