মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দ্রুত উন্নতির পথে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার ইন্টারিম সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি সেই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।
১৭ জানুয়ারি থেকে ৩ রাশির জীবনে আসছে অর্থ, সাফল্য ও খ্যাতির যোগ! আপনিও কি আছেন তালিকায়?
advertisement
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে আলোচনা চলছে। তাঁর কথায়, ভেনেজুয়েলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বিপুল পরিমাণ তেল দ্রুত পরিশোধনের প্রয়োজন রয়েছে এবং সংরক্ষণের জায়গা নেই। সেই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতেই তিনি বলেন, “আমরা তেল নেব।” ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত নিতে তাঁকে কারও সঙ্গে আলাদা করে পরামর্শ করতে হয়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভেনেজুয়েলার ইন্টারিম সরকারের সঙ্গে সম্পর্ককে “খুবই ভালো” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ অনেকটাই কমেছে। তিনি ভেনেজুয়েলাকে “চমৎকার দেশ” বলে আখ্যা দিয়ে দাবি করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাবলির ফলে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে।
এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প ফের উল্লেখ করেন সেই সামরিক অভিযানের কথা, যার পর ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হন। ট্রাম্পের দাবি, ওই সামরিক অভিযান ছিল “নিখুঁত” এবং আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম সফল সামরিক কৌশল।
এর আগে ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, রূপান্তর পর্বে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার প্রশাসনিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এবং সে দেশের তেলসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের উপর পূর্ণাঙ্গ প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। বুধবার ভেনেজুয়েলার ইন্টারিম প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ ফোনালাপও হয়েছে বলে জানান ট্রাম্প।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ট্রাম্প লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার এই অংশীদারিত্ব উভয় দেশের পক্ষেই “অসাধারণ” হবে এবং ভেনেজুয়েলা শীঘ্রই আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী দেশে পরিণত হবে। অন্যদিকে, ডেলসি রদ্রিগেজ ওই ফোনালাপকে “দীর্ঘ, ফলপ্রসূ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ” বলে বর্ণনা করে জানান, দু’দেশের স্বার্থে একটি যৌথ দ্বিপাক্ষিক কর্মসূচি নিয়েই আলোচনা হয়েছে।
