যদিও রয়টার্স সূত্রে খবর ইজরায়েলের এই হামলা থেকে কোনওমতে প্রাণ রক্ষা হয়েছে তাঁর বলেই জানিয়েছে ইরান। তবে, কোথায়, কখন হামলা চালিয়েছে তাঁরা সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়।
ইজরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর তাঁর জায়গায় কে বসবেন তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। ইরানের এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর পাওয়ার যায়, ওই দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে খামেনেইয়ের দ্বিতীয় পুত্রকেই বেছে নিয়েছে তিন সদস্যের গঠিত কাউন্সিল। আর এরপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যত প্রকাশ্যে হুমকি দেন ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ। বুধবার সকালেই তিনি লিখেছিলেন, আয়াতোল্লাহ খামেনেইয়ের জায়গায় যেই বসবে তাঁকে হত্যা করা হবে। আর এরপরেই বাড়তে থাকে উত্তেজনার পারদ।
advertisement
প্রসঙ্গত, ইরান আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনও পরবর্তী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসাবে মোজতবার নাম ঘোষণা করেনি। তবে তার মধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইজরায়েল। বুধবার ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাট্জ জানিয়েছেন যে, পরবর্তী ধর্মীয় নেতার নাম যা-ই হোক, কিংবা তিনি যেখানেই লুকিয়ে থাকুন, তাঁকে হত্যা করা হবে। কাটজের মতে, নতুন নেতা ইজরায়েলের ক্ষতি করার পাশাপাশি আমেরিকাকে হুমকি দেবেন এবং ইরানের সাধারণ মানুষের উপর দমনপীড়ন চালাবেন। তাই ইরানে নতুন কোনও নেতাকে যে তাঁরা মাথা তুলতে দেবেন না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকারের এই মন্ত্রী। কাটজের হুঁশিয়ারির পর পরই ইরানি সূত্র হামলার চেষ্টার বিষয়টি প্রকাশ্যে আনে।
