ইরানি সাংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তেহরানে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তারা খবর পেয়েছে, ইরানের রাজধানী তেহরানের রিপাবলিক এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
এদিকে, ইজরায়েলে থাকা জরুরি নয়, নিজেদের এমন সরকারি কর্মীদের দেশে ফেরার অনুমোদন দিয়েছে আমেরিকা। ইরানে হামলার হুমকি এবং মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক প্রস্তুতির মধ্যে শুক্রবার এমন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। যুদ্ধ এড়ানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আলোচনার এক দিন পরই ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ নিল। শুরুতে এই আলোচনা ঘিরে কিছুটা আশা ছিল। তবে তেহরান স্পষ্ট জানায়, কোনও চুক্তি করতে হলে আমেরিকাকে তাদের ‘অতিরিক্ত দাবি’ থেকে সরে আসতে হবে।
advertisement
এমন এক সময়ে এই আলোচনা চলছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানে হামলার হুমকি দিচ্ছেন। একই সঙ্গে এই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে মার্কিন বাহিনী। বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এখন আমেরিকার অন্যতম বন্ধু ইজরায়েলের উপকূলের কাছে। এরই মধ্যে ইজরায়েলে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ‘নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে’ জরুরি নয়, এমন সরকারি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ইজরায়েল ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে।
দূতাবাসের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘যতক্ষণ বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু আছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইজরায়েল ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।’ ইজরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি শুক্রবার সকালে দূতাবাসের কর্মীদের একটি ই–মেইল পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, যাঁরা দেশে ফিরতে চান, তাঁদের ‘আজই’ তা করা উচিত। ই–মেইলে তাঁকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘পরবর্তী সময়ে ওয়াশিংটন ডিসিতে যাওয়া যাবে, এমন যে কোনও আসনের টিকিট জোগাড়ের চেষ্টা করুন। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই দেশ ত্যাগ করা।’
