ইজরায়েলের চ্যানেল ১২-র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেইনি হামলায় নিহত হয়ে থাকতে পারেন—এমন “ক্রমবর্ধমান ইঙ্গিত” পাওয়া গিয়েছে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও সেই দাবি উদ্ধৃত করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইজরায়েলের প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী হামলার সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা লক্ষ্যবস্তুতে ছিলেন। যদিও ইজরায়েলের সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবি নিশ্চিত করেনি।
হামলায় তেহরানে সর্বোচ্চ নেতার দফতরের আশপাশ-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আঘাত হানা হয়। স্যাটেলাইট চিত্র ও প্রাথমিক খবরে খামেনেই-সংযুক্ত একটি কমপাউন্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
advertisement
তবে ইরান এই দাবিকে নাকচ করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমার জানা অনুযায়ী” সর্বোচ্চ নেতা জীবিত আছেন। তিনি খামেনেইর মৃত্যুর খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
কিছু প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হামলা শুরুর আগে বা ঠিক পরে খামেনেইকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে তাঁর সঠিক অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের এই যৌথ অভিযান ইরানকে ঘিরে দীর্ঘদিনের উত্তেজনায় বড়সড় উসকানি হিসেবে দেখা হচ্ছে। হামলায় দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত স্থাপনা এবং সামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে Reuters-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। তবে এই দুই ঘটনার ক্ষেত্রেও ইজরায়েলের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
