রাজ্যসভায় বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা কমাতে কূটনীতি অনুসরণ করা উচিত।’ বিরোধী দলের সাংসদদের স্লোগানে জয়শঙ্কর সংযম এবং সঙ্কটের শান্তিপূর্ণ সমাধানেরই বার্তা দেন। তাঁর কথায়, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থির উপর ক্রমাগত নজর রাখছে সরকার। সরকার ভারতীয় গ্রাহকদের স্বার্থ সবচেয়ে উপরে রয়েছে। তার জন্য প্রয়োজনীয় সবরকম কূটনৈতিক আলোচনা চালানো হবে। ভারতের অবস্থান মূলত তিনটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে রাখা হয়েছে-
advertisement
(১) ভারত শান্তির পক্ষে রয়েছে। অবিলম্বে আলোচনার মাধ্যমে ডিএসক্যালেশনের আর্জি জানিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরানোর পক্ষে
(২) পশ্চিম এশিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয়দের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা।
(৩) ভারতের এনার্জি সিকিউরিটি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভারতের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
আরও পড়ুন :কতদূর এগোল ‘অ্যাডজুডিকেটেড’ ভোটারদের কাজ? রাজ্যে এসেই খোঁজ নিলেন জ্ঞানেশ কুমার
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর পশ্চিম এশিয়ায় তীব্র উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পরেই এহেন মন্তব্য করেন বিদেশমন্ত্রী। এই হামলায় ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা নিহত হয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। তেহরান বেশ কয়েকটি আরব দেশে অবস্থিত আমেরিকান সামরিক ঘাঁটি এবং অঞ্চলজুড়ে ইজরায়েলি সম্পদ লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। ইজরায়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে তেহরানের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
