আরও পড়ুনঃ “এই শহরের মেয়েরা যেন ন্যায় বিচার পায়”, কালীঘাটে পুজো দিয়ে বললেন কঙ্গনা রানাওয়াত
এই হামলার ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেই তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে তাদের উপকূল বা দ্বীপে হামলা হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের জাহাজ চলাচল ব্যাহত করতে সমুদ্রপথে মাইন পেতে দেওয়া হবে। খার্গ দ্বীপটি ইরানের মোট তেল রফতানির প্রায় ৯০ শতাংশ পরিচালনা করে, ফলে এখানে আঘাত হানলে দেশের জ্বালানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়তে পারে।
advertisement
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই দাবি করেছিলেন, দ্বীপে সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে তেল পরিকাঠামোকেও নিশানা করা হতে পারে। একইসঙ্গে স্ট্রেইট অব হরমুজ খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, ইজরায়েলি সেনাবাহিনীও জানিয়েছে, তারা ইরানের বিভিন্ন এলাকায় অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তুতে বড়সড় হামলা চালিয়েছে। ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
