প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার আবহে এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতির চাপে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনীI ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর প্রভাব এই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ দোল খেলার পর স্নানে নেমে বিপত্তি, রহড়ায় এক কিশোরের মৃত্যু, গুরুতর জখম আরও এক
advertisement
মোজতবা খামেনেই কে?
১৯৬৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন মোজতবা খামেনেই। তিনি প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেই-এর দ্বিতীয় পুত্র। ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত এক মধ্য-স্তরের আলেম হিসেবে পরিচিত হলেও, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পর্দার আড়ালে ক্ষমতার কেন্দ্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা। বাবার দফতর পরিচালনা, সামরিক ও নিরাপত্তা সমন্বয় এবং আইআরজিসি-র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ—এসব ক্ষেত্রেই তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল বলে জানা যায়।
ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় থেকেই নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। যদিও তিনি কখনও প্রকাশ্যে বড় কোনও সাংবিধানিক বা প্রশাসনিক পদে ছিলেন না, তবুও কূটনৈতিক ও সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর প্রভাব ছিল বলে একাধিক বিশ্লেষক মনে করেন। ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ কোমের ধর্মীয় সেমিনারির সদস্যদের সঙ্গে তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল, যা তাঁর দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত বহন করে।
তবে, ইরানের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিয়োগের বিষয়ে কোনও স্পষ্ট ঘোষণা করা হয়নি। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।
