ইরানের রেভলিউশিনারি গার্ড বাহিনীর নৌ শাখা জানিয়েছে, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি অবকাঠামো। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের পক্ষ থেকে ইরানের শিল্প কেন্দ্রগুলিতে হামলার জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
ইরান আরও জানায়, সাম্প্রতিক হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, বাহরাইন এবং ইজরায়েলকেও লক্ষ্য করা হয়েছে। এর আগে বাহরাইনে একটি তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রেও হামলার দাবি করা হয়েছিল। এইসব ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে, সংঘাত এখন শুধুমাত্র সামরিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নেই, প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও ছড়িয়ে পড়ছে।
advertisement
এদিকে ইরান সতর্ক করে দিয়েছে, একাধিক বড় আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি সংস্থা এই সংঘাতের প্রভাবের মধ্যে পড়তে পারে। এমনকি ওই সব সংস্থার কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। পরিস্থিতি যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ইরান পরিস্থিতিতে কৌশল বদলের ইঙ্গিত! মার্কিন সামরিক নেতৃত্বে বড়সড় পরিবর্তনের পথে প্রশাসন
এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা যেকোনও ধরনের হুমকি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত। ইতিমধ্যেই সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে, এই ঘটনায় উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
