মৃত ছাত্রের পরিবারের দাবি, গত ১১ জানুয়ারি অশান্তির পর বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান অভি৷ তার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি৷ অনার্স নিয়ে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পড়াশোনা করছিলেন ওই ছাত্র৷ নওগাঁ সরকারি কলেজে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন অভি৷
জানা গিয়েছে, মৃত ওই ছাত্র বগুরা জেলার অন্তর্গত আদমদিঘি উপজেলার সান্তাহারের বাসিন্দা ছিলেন৷ এক ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধারের খবর সমাজমাধ্যমে জানতে পেরে নদীর পাড়ে পৌঁছয় তাঁর পরিবার৷ মৃতদেহের পরণে থাকা পোশাক দেখে অভিকে শনাক্ত করে তাঁর পরিবার৷ তাঁর বাবার নাম রমেশ চন্দ্র৷
advertisement
সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে বাংলাদেশে একের পর একে সংখ্যালঘু নিধনের ঘটনা সামনে এসেছে, তাতে এই ছাত্রের মৃত্যুর কারণ ঘিরেও রহস্য ছড়িয়েছে৷ অভির মৃত্যু নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রহস্য আছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷
মৃত ছাত্রের বাবা জানিয়েছেন, নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর আত্মীয়স্বজন এবং সম্ভাব্য অন্যান্য জায়গায় ছেলের খোঁজ করেন তাঁরা৷ আদমদিঘি থানাতেও নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়৷ পুলিশ জানিয়েছে, ওই ছাত্রের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে৷ ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে৷
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অভি অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন৷ কয়েক দিন পরই তাঁর ফাইনাল পরীক্ষাও ছিল৷ ম্যানেজমেন্ট পাশ করে ভাল চাকরি করে সংসারের হাল ধরার স্বপ্ন ছিল অভির৷ তাঁর এই পরিণতি অভির সহপাঠীরাও মেনে নিতে পারছেন না৷
