আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে নেতানিয়াহুকে “অপরাধী জায়নবাদী প্রধানমন্ত্রী” বলে উল্লেখ করে। তারা দাবি করেছে, “যদি ওই অপরাধী ও শিশু হত্যাকারী নেতানিয়াহু এখনও বেঁচে থাকে, তাহলে তাকে খুঁজে বের করার অভিযান আমরা চালিয়ে যাব।”
এই মন্তব্য আসে আইআরজিসির ঘোষিত ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ৫২তম ধাপের অভিযানের প্রসঙ্গে। ইরানের দাবি, এই অভিযানে ইজরায়েলের বিভিন্ন অবস্থান এবং অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হয়েছে।
advertisement
১৫তম দিন! তেলের আকাল, যুদ্ধ থামাতেই চাইছে ইরান, কিন্তু…ট্রাম্প যা বললেন! বাড়ল উদ্বেগ
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানি বাহিনী তেল আভিভের শিল্পাঞ্চল লক্ষ্য করে একাধিক শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এই হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং শহরজুড়ে অ্যাম্বুল্যান্সের সাইরেন বেজে ওঠে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
এছাড়াও ইরান দাবি করেছে, মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত একাধিক ঘাঁটিকেও লক্ষ্য করা হয়েছে। এর মধ্যে ইরাকের এরবিলে অবস্থিত আল-হারির বিমানঘাঁটি, কুয়েতে আলি আল সালেম এয়ার বেস এবং ক্যাম্প আরিফজানকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিশানা করা হয়েছে বলে তাদের দাবি।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, নেতানিয়াহুর পরিণতি এখন স্পষ্ট নয়। তারা ইঙ্গিত দিয়েছে, তিনি হয়তো নিহত হয়েছেন অথবা পরিবারের সঙ্গে ইজরায়েল ছেড়ে পালিয়েছেন।
তবে এই দাবিকে সরাসরি খারিজ করেছে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দফতর। তুরস্কভিত্তিক সংবাদসংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, নেতানিয়াহুর মৃত্যুর দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো। তাদের বক্তব্য, “এগুলো সম্পূর্ণ ভুয়ো খবর। প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।”
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় নেতানিয়াহুর একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এই জল্পনা আরও ছড়ায়। ভিডিওটিতে তাঁর হাতে একটি অতিরিক্ত আঙুল দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেন কিছু ব্যবহারকারী, যার জেরে কেউ কেউ এটিকে এআই-তৈরি বা ডিপফেক ভিডিও বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেন।
গত ১৩ মার্চ নেতানিয়াহু নিজের এক্স (X) অ্যাকাউন্টে ওই ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, ইজরায়েল ইরান ও হিজবুল্লাকে “চূর্ণ করে দিচ্ছে” এবং অঞ্চলে সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে।
