পুলিশ জানিয়েছে, মারধরের শিকার ব্যক্তির নাম খোরশেদ আলম। পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে রাতেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সিসিটিভিতে ধরা পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তায় চালক খোরশেদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি করছেন তিন ব্যক্তি। খোরশেদকে শুরুতে তাঁরা ধাক্কা দিতে থাকেন। একপর্যায়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়।
advertisement
মুহূর্তের মধ্যে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ওই অবস্থায়ও তাঁকে বেধড়ক পেটানো হয়। খোরশেদের নড়াচড়া বন্ধ হয়ে গেলে তাঁকে মারতে থাকা ব্যক্তিরা চলে যান। আশপাশের লোকজন বিষয়টি দেখলেও কেউ এগিয়ে আসেননি। নিহত অটোরিকশা চালক খোরশেদের মাথায় ও মুখমণ্ডলে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির বলেন, হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা খোরশেদকে মৃত ঘোষণা করেন। ভিডিও দেখে মারধরে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে পুলিশ মো. হোসেন নামের একজনকে চিহ্নিত করেছে। আটক করা হয়েছে আরও একজনকে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাঁর নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ। জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মুখের দুর্গন্ধ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয় তাঁদের মধ্যে। একপর্যায়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয় খোরশেদকে। নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে ওসি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত সোমবার বায়েজিদ বোস্তামী থানার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নামের এক র্যাব কর্মকর্তা নিহত ও তিনজন আহত হন।
