২০২৪ সালে জুলাই মাসে ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যূত হতে হয়েছিল আওয়ামি লিগকে৷ দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন শেখ হাসিনা৷ পরে, ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ছাত্রবিরোধী পদক্ষেপ করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রলয় চাকিকে৷ তবে, আওয়ামি লিগের তরফ থেকে বারবার অভিযোগ করা হয়েছিল, অসত্য অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রলয় চাকিকে৷
advertisement
এটি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন আওয়ামি লিগ কর্মীর মৃত্যুর আরেকটি ঘটনা। ওই দলের সদস্য এবং সমর্থকরা অভিযোগ করেছেন, বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং হেফাজতে থাকাকালীন তাঁদের উপরে অকথ্য অত্যাচার করা হয়৷ প্রলয় চাকির ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে৷ নির্যাতন সহ্য করতে না পেরেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে দাবি আওয়ামি লিগের নেতাকর্মীদের৷
আওয়ামি লিগ সমর্থকদের দাবি অনুসারে, ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ৪১ জন দলীয় নেতা-কর্মী পুলিশ হেফাজতে মারা গেছেন, যার মধ্যে চাকির মৃত্যু আরও একটি সংখ্যায় যোগ করল। তারা অভিযোগ করেছেন যে, প্রায় প্রতি মাসে এই ধরনের মৃত্যুর খবর সামনে আসছে।
আওয়ামি লিগের অভিযোগ, মানবাধিকার সংস্থাগুলি এই ঘটনাগুলির উপর নজরদারি চালাচ্ছে না এবং এ পিছনে মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান প্রশাসনের ব্যর্থতাদায়ী। তবে বাংলাদেশের সরকারের তরফে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
