আর সেই সূত্রেই উঠে আসছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে একজন হিন্দু নেতার নাম নিয়ে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তারেকের মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন সদ্য নির্বাচিত সাংসদ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ভোটে জেতার পরে তারেকের প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনের মঞ্চে ছিলেন গয়েশ্বর। এর আগেও খালেদা জিয়ার আমলে গয়েশ্বর মন্ত্রীও ছিলেন। এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রতীকে জয়ী হওয়া মাত্র দুজন হিন্দু প্রার্থীর একজন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি দলের নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৭৮ সাল থেকে তিনি বিএনপির সঙ্গে যুক্ত।
advertisement
সূত্রের খবর অনুযায়ী, সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাহউদ্দিন চৌধুরী, মির্জা আব্বাস, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আব্দুল মঈন খানের মতো অভিজ্ঞ নেতারা। এঁদের অনেকেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–র সরকারের সময় মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব সামলেছেন। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকেও সুযোগ দিতে চান তারিক রহমান। সম্ভাব্য নতুন মুখদের মধ্যে রয়েছেন শামা উবায়েদ (ফরিদপুর-২), আফরোজা খানম রিতা (মানিকগঞ্জ-৩) এবং ফারজানা শারমিন পুতুল (নাটোর-১)।
১৯৯১-৯৬ সালে গয়েশ্বর বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯৯১ থেকে ১৯৯৩ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি টেকনোক্র্যাট হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সাংসদ হিসেবে এই প্রথম তিনি জয়লাভ করেছেন। এর আগে একাধিকবার ভোটে লড়লেও কোনওবারই জিততে পারেননি গয়েশ্বর। সেই গয়েশ্বর এবার তারেকের মন্ত্রিসভায় জায়গা পাবেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।
